বিনোদন ডেস্ক
ঢাকা: প্রয়াত বলিউড কিংবদন্তি ধর্মেন্দ্র বেঁচে থাকলে গত ৮ ডিসেম্বর তাঁর ৯০তম জন্মদিন পালন করতেন। কিন্তু জন্মদিনের মাত্র কয়েকদিন আগে, গত ২৪ নভেম্বর না ফেরার দেশে পাড়ি জমান ‘হি-ম্যান’। ধর্মেন্দ্রর প্রয়াণের পর এটিই তাঁর প্রথম জন্মদিন। এই বিশেষ দিনের ঠিক আগে ‘বিগ বস ১৯’-এর সমাপ্তি অনুষ্ঠানে আবেগঘন হয়ে পড়েন সঞ্চালক সালমান খান। কিংবদন্তি অভিনেতাকে স্মরণ করে তাঁর চোখে জল চলে আসে।
দীর্ঘ অভিনয় জীবনে ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে কাটানো নানা মুহূর্ত প্রতিযোগীদের সঙ্গে ভাগ করে নেন সালমান। তিনি একটি কাকতালীয় বিষয়ের উল্লেখ করে বলেন, “সবচেয়ে বড় ব্যাপার হলো তিনি ২৪ নভেম্বর মারা গেছেন, যেদিন ছিল আমার বাবার জন্মদিন। অন্যদিকে ৮ ডিসেম্বর ধর্মেন্দ্রজির জন্মদিন, সেদিন আবার আমার মায়েরও জন্মদিন।”
ধর্মেন্দ্রর শেষকৃত্য অত্যন্ত গোপনীয়তায় এবং শুধুমাত্র পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে সম্পন্ন হওয়ায় ভক্তদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ ছিল। অনেকেই শেষবারের মতো প্রিয় তারকাকে দেখতে না পাওয়ার আক্ষেপ করেছিলেন। সালমান খান এই নীরব বিদায়ের প্রশংসা করে বিতর্কের অবসান ঘটান।
তিনি বলেন, “খালি ভাবছি আমার যদি এইরকম অনুভব হয়, তাহলে একটু ভাবুন সানি (দেওল) এবং তাঁর পরিবার ঠিক কোন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন।” সালমান বোঝাতে চেয়েছেন, পারিবারিক গোপনীয়তা রক্ষা এবং সম্মানের সঙ্গে শেষ বিদায় জানানোর সিদ্ধান্তটি সঠিক ছিল এবং দেওল পরিবারের এই কঠিন সময়ে সবার সহমর্মিতা প্রয়োজন।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






