লাইফ স্টাইল ডেস্ক
ঢাকা: ডিমকে বলা হয় প্রকৃতির ‘মাল্টিভিটামিন’। সাধারণত আমরা সেদ্ধ বা ভাজি করে ডিম খেতে অভ্যস্ত হলেও বিশ্বজুড়ে অ্যাথলেট ও বডিবিল্ডারদের মধ্যে কাঁচা ডিম খাওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। পুষ্টিবিদদের মতে, সঠিক নিয়মে কাঁচা ডিম খেলে রান্না করা ডিমের চেয়ে কিছু ক্ষেত্রে বেশি পুষ্টি পাওয়া সম্ভব।
ডিম রান্না করলে তাপে ভিটামিন এ, ডি এবং বি-১২ এর মতো কিছু সংবেদনশীল পুষ্টি উপাদান কমে যেতে পারে। কিন্তু কাঁচা ডিমে এসব উপাদান অক্ষুণ্ণ থাকে। এছাড়া এতে থাকা ‘লুটেইন’ ও ‘জিক্সানথিন’ নামক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট চোখের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত কার্যকর।
কাঁচা ডিমের ৪ প্রধান উপকারিতা:
১. পেশি গঠন ও শক্তি: এতে উচ্চমানের প্রোটিন ও অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে, যা জিম বা ভারী ব্যায়ামের পর দ্রুত পেশি মেরামত ও গঠনে সাহায্য করে।
২. মস্তিষ্কের পুষ্টি: কাঁচা ডিমে থাকা ‘কোলিন’ (Choline) মস্তিষ্কের কোষ সচল রাখে এবং স্মৃতিশক্তি বাড়ায়।
৩. হার্টের সুরক্ষা: ডিমের কুসুমের ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রক্তে ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়াতে সহায়ক।
৪. রূপচর্চা: খাওয়ার পাশাপাশি চুলে ও ত্বকে কাঁচা ডিমের ব্যবহার প্রাকৃতিক কন্ডিশনার ও ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে।
সতর্কতা ও খাওয়ার নিয়ম: কাঁচা ডিমে ‘সালমোনেলা’ নামক ব্যাকটেরিয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই কিছু বিষয় মানা জরুরি:
কারা খাবেন না: শিশু, গর্ভবতী নারী এবং যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কাঁচা ডিম খাওয়া উচিত নয়।
নিরাপদ ব্যবহার: পাস্তুরিত বা ভালো মানের ডিম নির্বাচন করুন এবং ব্যবহারের আগে খোসা ধুয়ে নিন।
খাওয়ার পদ্ধতি: সরাসরি খেতে অস্বস্তি হলে স্মুদি, মিল্কশেক বা হালকা গরম দুধের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






