বিনোদন ডেস্ক
ঢাকা: তামিলনাড়ুতে থালাপতি বিজয়ের মতো বড় তারকারা যখন রূপালি পর্দা থেকে রাজনীতির মাঠ কাঁপিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসতে চলেছেন, তখন একেবারেই ভিন্ন পথে হাঁটছেন টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার সব গুঞ্জন ও জল্পনা পুরোপুরি উড়িয়ে দিয়ে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, রাজনীতির কাদা তিনি গায়ে মাখতে চান না।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে প্রসেনজিৎ লেখেন, “আমি বহু বছর ধরে অত্যন্ত সম্মানের সঙ্গে অভিনয় করে আসছি এবং আগামী দিনেও একইভাবে কাজ করে যেতে চাই। আপনাদের সকলের কাছে আমার একটাই বিনীত অনুরোধ—দয়া করে আমার গায়ে কোনো রাজনৈতিক রং লাগাবেন না।”
মূলত সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে শিবপুর কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী ও প্রসেনজিতের ‘ছোট ভাই’ খ্যাত অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ বিপুল ভোটে জয়লাভ করার পরই এই বিতর্কের সূত্রপাত হয়। জয়ের পর রুদ্রনীল নিজেই ফোন করে খবরটি প্রসেনজিৎকে জানান। এই কথোপকথনের বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে প্রসেনজিতের বিজেপিতে যোগ দেওয়ার গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি পরিষ্কার করে প্রসেনজিৎ বলেন, “আমি কাউকে ফোন করিনি; বরং আমার ছোট ভাই ফোন করেছিল আমাকে। বড় দাদা হিসেবে কাউকে আশীর্বাদ করা আমার কর্তব্য, আর আমি সেটুকুই করেছি।”
এর আগে নির্বাচনের সময় প্রসেনজিতের পরিবারকে ঘিরেও রাজনৈতিক অপপ্রচার চালানো হয়েছিল। সম্পাদিত ছবি দিয়ে ভুয়া প্রচারণার বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে এই অভিনেতা বলেন, “এখন সহজেই বোঝা যায় কোন ছবি আসল আর কোনটা সম্পাদিত। অদ্ভুত লাগে, একটি ২০ বছরের ছেলেকে নিয়েও এমন ভুয়া প্রচার করা হচ্ছে, এমনকি আমাকে জড়িয়েও।”
বাংলাফ্লো/এম এইচ এইচ




