বাংলাফ্লো প্রতিবেদক
ঢাকা: ‘মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিটি খাতে উন্নয়নমূলক কাজ করে যাচ্ছেন। আমাদের মূল লক্ষ্য মানুষের মূল্যবোধ এবং মানুষের যে সম্মান, রাইট ও প্রিভিলেজ রয়েছে তা নিশ্চিত করা।’— এ কথা বলেছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়কমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন।
রোববার (১৭ মে) রাজধানীর শ্যামলীতে আন্তর্জাতিক শিশু সামাজিক সংস্থা ‘এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজেস বাংলাদেশ’-এর ৫৫ বছর পূর্তি ও প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, “বিএনপি সব সময় ভালো কিছুর সাথে, দেশের মঙ্গলের সাথে এবং মানুষের সাথে থাকতে অভ্যস্ত। আমাদের কাছে সবার আগে বাংলাদেশ।” সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের কল্যাণে কাজ করার প্রশংসা করে তিনি আরও বলেন, “এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজেস বাংলাদেশ গত ৫৫ বছর ধরে আমাদের দেশের সবচেয়ে সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও পরিবারগুলোর জন্য আশা ও সহানুভূতির প্রতীক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। বাচ্চাদের সুন্দরভাবে গড়ে ওঠার জন্য এসওএস শিশু পল্লী একটি আদর্শ প্রতিষ্ঠান। পরিবারভিত্তিক যত্ন এবং শিশু সুরক্ষায় সংস্থাটির এই অবিচল প্রতিশ্রুতির কথা বাংলাদেশ সরকার গভীরভাবে মূল্যায়ন করে।”
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন বলেন, “যৌথ পরিবারের বাইরেও যে মায়া, মমতা, স্নেহ ও আদর-ভালোবাসা দিয়ে শিশুদের বড় করা যায়, তার অনন্য উদাহরণ এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজেস।” তিনি আরও যোগ করেন, প্রকৃত জাতীয় উন্নয়ন তখনই সম্ভব যখন দেশের সবচেয়ে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বিকশিত হওয়ার সুদৃঢ় ভিত্তি গড়ে দেওয়া যায়। সুবিধাবঞ্চিত তরুণদের স্বাধীন ও দেশের অবদানকারী নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে এমন টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি সেবার মডেল তৈরি করার জন্য তিনি সংস্থাকে সাধুবাদ জানান।
অনুষ্ঠানে অন্যতম বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজেস বাংলাদেশ আজ অত্যন্ত গর্বের সাথে এর প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন করেছে। এর মাধ্যমে দেশজুড়ে সুবিধাবঞ্চিত শিশু, তরুণ ও পরিবারের সেবা, যত্ন, সুরক্ষা এবং ক্ষমতায়নে সংস্থাটির সুদীর্ঘ ৫৫ বছরের গৌরবময় পথচলা আজ পূর্ণ হলো।” এ সময় তিনি সমাজ বিনির্মাণে এবং শিশুদের সুরক্ষায় এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজেসের সব মানবিক কাজের পাশে থাকার দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে এসওএস শিশু পল্লী বাংলাদেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, আমন্ত্রিত অতিথি এবং সংস্থার শিশু ও তরুণরা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাফ্লো/এফআইআর




