আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ঢাকা: ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে নতুন একটি ১০ বছর মেয়াদি নিরাপত্তা চুক্তি নিয়ে আলোচনার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরাইল। তবে এবারের চুক্তিতে বড় ধরণের কৌশলগত পরিবর্তন আনতে চায় তেল আবিব। ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের নগদ অর্থ সহায়তার ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ‘যৌথ প্রতিরক্ষা প্রকল্প’ বা অংশীদারত্বের ওপর জোর দেওয়ার পরিকল্পনা করছে দেশটি।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের বরাতে সংবাদমাধ্যম আল আরাবিয়া এ তথ্য জানিয়েছে।
ইসরাইলের সামরিক ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিদায়ী প্রধান আর্থিক উপদেষ্টা গিল পিনখাস জানান, আসন্ন আলোচনায় ইসরাইল নগদ সহায়তার বদলে যৌথ সামরিক ও প্রতিরক্ষা প্রকল্পকে বেশি গুরুত্ব দিতে চায়। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এই আলোচনা শুরু হতে পারে। পিনখাস বলেন, ‘এই প্রেক্ষাপটে শুধু আর্থিক হিসাবের চেয়ে পারস্পরিক অংশীদারত্ব অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এমন অনেক বিষয় আছে, যেগুলোর মূল্য টাকার সমান।’
বর্তমানে ইসরাইল যুক্তরাষ্ট্র থেকে বছরে সরাসরি ৩.৩ বিলিয়ন ডলার আর্থিক সহায়তা পায়। পিনখাসের মতে, এই সহায়তার পরিমাণ ধীরে ধীরে কমানো যেতে পারে। চলতি মাসের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, আগামী এক দশকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তার ওপর ইসরাইলের নির্ভরতা ‘ধীরে ধীরে কমিয়ে আনার’ আশা করছেন তিনি।
বর্তমান চুক্তির খতিয়ান: ২০১৬ সালে স্বাক্ষরিত বর্তমান ১০ বছর মেয়াদি চুক্তিটি ২০২৮ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। এর আওতায়:
মোট সহায়তা: ৩৮ বিলিয়ন ডলার।
সামরিক সরঞ্জাম: ৩৩ বিলিয়ন ডলার।
ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা: ৫ বিলিয়ন ডলার।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






