বিনোদন ডেস্ক ঢাকা: ভারতীয় চলচ্চিত্র অঙ্গনে যুদ্ধ ও দেশপ্রেমভিত্তিক সিনেমার চিত্রনাট্যে চীনকে প্রতিপক্ষ হিসেবে উপস্থাপনের ক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হচ্ছে বলে এক বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। সাম্প্রতিক সময়ে ভারত ও চীনের মধ্যকার স্পর্শকাতর ভূ-রাজনৈতিক সম্পর্ক, সীমান্ত কূটনীতি এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সমীকরণের কারণে নির্মাতারা সরাসরি চীনের নাম উল্লেখ করা থেকে কৌশলগতভাবে বিরত থাকছেন বলে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইতিপূর্বে পাকিস্তান বা অন্যান্য শত্রুপক্ষকে যেভাবে ভারতীয় সিনেমায় সরাসরি খলনায়ক হিসেবে দেখানো হতো, চীনের ক্ষেত্রে সেই পথ থেকে সরে আসছেন নির্মাতারা। বিশেষ করে ১৯৬২ সালের ভারত-চীন যুদ্ধ কিংবা সাম্প্রতিক গালওয়ান উপত্যকার সংঘাত নিয়ে নির্মিত বেশ কয়েকটি নতুন প্রজেক্টে দেশের নাম গোপন রেখে কাল্পনিক বা সাংকেতিক শত্রুরাষ্ট্রের রূপরেখা দেওয়া হচ্ছে, যাতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে অপ্রয়োজনীয় উত্তাপ সৃষ্টি না হয়।
এছাড়া ভারতীয় সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির বৈশ্বিক বাণিজ্য ও আন্তর্জাতিক বাজারের দিকটিও বিবেচনায় রাখতে হচ্ছে প্রযোজকদের। চীনা বাজার থেকে ভারতীয় চলচ্চিত্রের আয়ের সুযোগ এবং সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পেতে জটিলতা এড়াতেই যুদ্ধের সিনেমাগুলোর কাহিনীবিন্যাসে এমন সচেতন পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা ভারতীয় সিনে মহলে ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় ধরনের আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
বাংলাফ্লো/এম এইচ এইচ












