স্পোর্টস ডেস্ক
ঢাকা: আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপে এবার এশিয়া থেকে রেকর্ড ৯টি দেশ অংশ নিচ্ছে। নিজ নিজ দেশের জার্সিতে বিশ্বমঞ্চে নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণে মুখিয়ে আছেন এশীয় ফুটবলাররা। বিশেষ করে বেশ কিছু প্রতিভাবান তরুণ ফুটবলার এবার ফুটবল বিশ্বের নজর কাড়তে পারেন, যারা ইতোমধ্যে ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন।
জর্ডানের আক্রমণভাগে এবার মূল আকর্ষণ ১৯ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড ইব্রাহিম সাবরা। আল ওয়েহদাত এসসি থেকে ক্যারিয়ার শুরু করা এই ফুটবলার বর্তমানে ক্রোয়েশিয়ান ক্লাব লোকোমোটিভ জাগরেবে ধারে খেলছেন। জর্ডান জাতীয় দল ‘আল নাশামা’র হয়ে সাবরার শক্তির জায়গা হলো এরিয়াল চ্যালেঞ্জ ও পেনাল্টি এরিয়াতে বুদ্ধিদীপ্ত অবস্থান। জর্ডানের আরেক বড় ভরসা ওদেহ আল ফাখুরি। ব্যতিক্রমধর্মী গতি ও সংকীর্ণ জায়গা কাজে লাগিয়ে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ ভেঙে দেওয়ার ক্ষমতা তাঁকে অনন্য করেছে। ২০ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড বর্তমানে মিশরীয় ক্লাব পিরামিডস এফসির হয়ে খেলছেন।
অস্ট্রেলিয়ার সকারুদের হয়ে এবার চমক দেখাতে পারেন নেস্টোরি ইরানকুন্ডা। অ্যাডিলেড ইউনাইটেড থেকে বায়ার্ন মিউনিখের নজরে আসা এই ফুটবলার বর্তমানে খেলছেন ইংলিশ ক্লাব ওয়াটফোর্ডে। ওয়ান-অন-ওয়ান ডুয়েলে তাঁর পারদর্শিতা অস্ট্রেলিয়াকে বাড়তি সুবিধা দেবে। গত মার্চে কুরাসাওয়ের বিপক্ষে জোড়া গোল করে তিনি নিজের ফর্মের জানান দিয়েছেন। অন্যদিকে, কাতারের আক্রমণভাগে বড় ভরসা আহমেদ আল রাউই। অ্যাস্পায়ার একাডেমি থেকে উঠে আসা ২১ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ডের নিখুঁত ফিনিশিং এবং গতি আসন্ন বিশ্বকাপে কাতারের মূল শক্তি হতে যাচ্ছে।
এশিয়ার এই উদীয়মান তারকারা বিশ্বকাপে কেবল নিজ দেশের প্রতিনিধিত্বই করছেন না, বরং বিশ্ব ফুটবলের বড় মঞ্চে নিজেদের নাম খোদাই করার সুযোগ হিসেবে এই আসরকে দেখছেন। অভিজ্ঞ কোচেদের অধীনে এই তরুণরা যদি তাদের সেরাটা দিতে পারেন, তবে ২০২৬ বিশ্বকাপ এশীয় ফুটবলের জন্য নতুন এক উচ্চতা বয়ে আনবে।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






