ক্যারিয়ার ডেস্ক
ঢাকা: একাদশ ও আলিম শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় এবং মূল অ্যাকাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট (মার্কশিট) আটকে রাখার বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা বোর্ডগুলো। অভিযোগ প্রমাণিত হলে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এমপিও বাতিল এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সম্প্রতি প্রকাশিত ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ ও আলিম শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালায় এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নীতিমালায় ভর্তি ফি, সেশন চার্জ, মাসিক বেতন ও অন্যান্য খরচের বিষয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সুনির্দিষ্ট বাধ্যবাধকতা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।
ভর্তি ও সেশন ফির তালিকা নীতিমালা অনুযায়ী, একাদশ শ্রেণিতে অনলাইনে ভর্তির আবেদন ফি ২২০ টাকা এবং বোর্ডের প্রাথমিক নিশ্চায়ন ফি ৩৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর বাইরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ধরন ও অবস্থানভেদে সর্বোচ্চ ভর্তি ও সেশন ফি নিচে দেওয়া হলো:

স্বচ্ছতা ও বিশেষ নির্দেশনা ভর্তি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রতিটি বেসরকারি কলেজকে সেশন চার্জ, মাসিক বেতনসহ যাবতীয় খরচের তালিকা প্রতিষ্ঠানের নোটিশ বোর্ড ও ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে। বোর্ড অনুমোদিত ফির অতিরিক্ত কোনো অর্থ নেওয়া যাবে না এবং সব ফি যথাযথ রশিদের মাধ্যমে গ্রহণ করতে হবে। এছাড়া বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে ফি যথাসম্ভব মওকুফ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মূল ট্রান্সক্রিপ্ট ও অনুমোদনহীন শাখা নীতিমালার ৫.৯ বিধিতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, কোনো প্রতিষ্ঠান এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার মূল অ্যাকাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট শিক্ষার্থী বা তার অভিভাবক ছাড়া অন্য কারও কাছে হস্তান্তর করতে পারবে না এবং কোনো অজুহাতেই তা আটকে রাখা যাবে না।
পাশাপাশি অনুমোদনহীন শাখা, ক্যাম্পাস বা বিষয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। যেসব কলেজের শুধু স্থাপনের অনুমতি রয়েছে কিন্তু পাঠদানের প্রাথমিক অনুমতি নেই, তারা কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি করতে পারবে না। এসব নিয়ম অমান্য করলে প্রতিষ্ঠানের এমপিও বাতিলসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলাফ্লো/এম এইচ এইচ











