বিনোদন ডেস্ক
ঢাকা: দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী অভিনেত্রী সুইটি শেঠি ওরফে আনুশকা শেঠির জন্মদিন উদযাপিত হলো শনিবার (৭ নভেম্বর)। ১৯৮১ সালের এই দিনে ভারতের কর্ণাটকের উপকূলীয় শহর ম্যাঙ্গালুরুতে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। জীবনের চড়াই-উতরাই পেরিয়ে সফলতার অনন্য শিখরে পৌঁছে সে হিসাবে এবার ৪৫ বছরে পা দিলেন বিশ্বখ্যাত ‘বাহুবলী’খ্যাত এই গুণী অভিনেত্রী।
দীর্ঘ দুই দশকের সমৃদ্ধ অভিনয়জীবনে তামিল ও তেলেগু ভাষার চলচ্চিত্রে বৈচিত্র্যময় চরিত্রে অভিনয় করে নিজের একচ্ছত্র আধিপত্য ও শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছেন আনুশকা শেঠি। অনবদ্য অভিনয় দক্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ ফিল্মফেয়ারসহ অসংখ্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার ও সম্মাননা লাভ করেছেন তিনি। দুই ভাষার সিনেমাতেই সমান জনপ্রিয় এই শীর্ষ অভিনেত্রীর জন্মদিনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সহকর্মী ও অগণিত ভক্ত-অনুরাগীরা ভালোবাসাসিক্ত শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন।
চলচ্চিত্রের আলো ঝলমলে রূপালি পর্দায় আসার আগে আনুশকা শেঠি একজন পেশাদার যোগব্যায়ামের (ইয়োগা) প্রশিক্ষক হিসেবে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতেন। পরবর্তী সময়ে ২০০৫ সালে পুরী জগন্নাথ পরিচালিত তেলেগু সিনেমা ‘সুপার’-এর মাধ্যমে বড়পর্দায় অভিনেত্রী হিসেবে তাঁর আনুষ্ঠানিক অভিষেক ঘটে। ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই অসাধারণ অভিনয় দক্ষতা ও ব্যক্তিত্বের জোরে সবার নজর কাড়তে সক্ষম হন তিনি।
এরপর ২০০৯ সালে মুক্তি পাওয়া ব্লকবাস্টার পৌরাণিক থ্রিলার সিনেমা ‘অরুন্ধতী’তে দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করে তাক লাগিয়ে দেন আনুশকা, যা তাঁকে এনে দেয় অভাবনীয় খ্যাতি ও জনপ্রিয়তা। তবে তাঁর ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় মাইলফলক অর্জিত হয় এসএস রাজামৌলির ঐতিহাসিক মহাকাব্যিক সিনেমা ‘বাহুবলী: দ্য বিগিনিং’ ও ‘বাহুবলী: দ্য কনক্লুশন’-এ। সেখানে বীর রমণী ‘দেবসেনা’র আইকনিক চরিত্রে তাঁর তেজস্বী অভিনয় তাঁকে ভারতজুড়ে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দেয়।
এ ছাড়া ‘রুদ্রামাদেবী’, ‘বাগমতী’, ‘সিংহাম’ সিরিজ ও সাম্প্রতিক ‘মিস শেঠি মিস্টার পলিশেট্টি’র মতো ভিন্নধর্মী ও ব্যবসাসফল সিনেমায় অভিনয় করে বক্স অফিসে নিজের একক প্রভাব প্রমাণ করেছেন তিনি। শুধু গ্ল্যামার নয়, অভিনয়ের গভীরতা ও চরিত্র ফুটিয়ে তোলার অসাধারণ ক্ষমতায় আনুশকা শেঠি আজও দক্ষিণী সিনেমার দর্শকের হৃদয়ে রাজত্ব করে চলেছেন।
বাংলাফ্লো/এম এইচ এইচ










