আন্তর্জাতিক ডেস্ক
দুবাই: দুবাই থেকে ইসরায়েলের তেলআবিবগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি যাত্রীবাহী বিমানে মাঝআকাশে ভারতীয় ক্যাপ্টেন পাইলট স্মিত মাচ্ছাড়কে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত করে বিমানটি বিধ্বস্ত করার অপচেষ্টাকারী ওমানি কো-পাইলটের আসল পরিচয় ও চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এনেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন। হামলাকারী ওই কো-পাইলটের নাম হামাম, যিনি ওমানের নাগরিক। ঘটনার পরপরই বিমানটিকে এক অফ-ডিউটি পাইলটের সহায়তায় সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করিয়ে ১৭৪ জন আরোহীর প্রাণ রক্ষা করা সম্ভব হয়।
আন্তর্জাতিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, ইংল্যান্ডের বাকিংহ্যামশায়ার নিউ ইউনিভার্সিটি থেকে ২০২৩ সালে এভিয়েশন ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন হামাম। এর আগে তিনি ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ওমান এয়ারে এবং পরবর্তীতে মরক্কোর জাতীয় বিমান সংস্থা রয়্যাল এয়ার মারোকে পাইলট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তবে সম্প্রতি ফ্লাইদুবাইয়ের নিয়োগ পেলেও নিজের লিঙ্কডইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রোফাইল থেকে অতীত ও বর্তমানের অনেক তথ্য মুছে ফেলেছিলেন তিনি।
সিএনএন আরও জানিয়েছে, ঘটনার পরপরই হামামের এক্স (সাবেক টুইটার) এবং ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট মুছে দেওয়া হলেও তার পুরোনো ডিজিটাল পদচিহ্নে উগ্র চরমপন্থার সুস্পষ্ট প্রমাণ মিলেছে। বিমানের ককপিট থেকে ধারণ করা একটি ভিডিওতে তিনি ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলোকে ফ্রেমবন্দি করেছিলেন এবং ভিডিওটির শেষে কুখ্যাত আল-কায়েদা নেতা আয়মান আল-জাওয়াহিরি এবং ২০০৯ সালে আফগানিস্তানে মার্কিন সিআইএ ঘাঁটিতে আত্মঘাতী হামলা চালানো জর্ডানীয় গুপ্তচর হুমাম খলিল আবু-মুলাল-আল-বালাওইয়ের ছবি যুক্ত ছিল। মাঝআকাশে এমন এক চরমপন্থীর হাতে শত শত যাত্রীর জীবন ঝুঁকিতে পড়ার ঘটনায় আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল খাতে তীব্র তোলপাড় শুরু হয়েছে।
বাংলাফ্লো/এম এইচ এইচ










