জাতীয় ডেস্ক
ঢাকা: তৃণমূল ও মাঠ পর্যায়ে পরিবার পরিকল্পনা, মা ও শিশুস্বাস্থ্যসেবার গুণগত মান বাড়াতে এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা শতভাগ নিশ্চিত করতে বছরব্যাপী ২২ দফা সুনির্দিষ্ট কৌশলগত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর (ডিজিএফপি)। জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় রাখা, মাতৃ ও শিশুমৃত্যুর হার হ্রাস এবং পরিবার পরিকল্পনা সেবার অপূর্ণ চাহিদা (Unmet Need) শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার লক্ষ্যেই চলতি অর্থবছরের জন্য এই বিশেষ রূপরেখা প্রণয়ন করা হয়েছে।
অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এই ২২ দফা কর্মপরিকল্পনার মূল কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে প্রত্যন্ত, চর ও হাওরাঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া। এর আওতায় ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রগুলোতে সপ্তাহে সাত দিন ২৪ ঘণ্টা নিরাপদ স্বাভাবিক প্রসব (নরমাল ডেলিভারি) সেবা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি জন্মনিয়ন্ত্রণে আধুনিক ও দীর্ঘমেয়াদি পদ্ধতির ব্যবহার বৃদ্ধি, প্রান্তিক অঞ্চলে জরুরি ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা এবং প্রতিটি পরিবারকে ডিজিটাল হেলথ ট্র্যাকিংয়ের আওতায় এনে সেবাদান নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
কৈশোরকালীন প্রজনন স্বাস্থ্য সুরক্ষায় স্কুল ও কমিউনিটি পর্যায়ে বিশেষ সচেতনতামূলক কাউন্সেলিং জোরদারের বিষয়টিও কর্মপরিকল্পনায় গুরুত্বের সাথে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দিকনির্দেশনায় মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিয়মিত তদারকি, ওষুধ ও জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ এবং জবাবদিহি বাড়াতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে। অধিদপ্তর আশা করছে, এই সমন্বিত উদ্যোগ জাতীয় পর্যায়ে মা ও শিশুর সামগ্রিক স্বাস্থ্য সূচকে বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসবে।
বাংলাফ্লো/এম এইচ এইচ












