বাংলাফ্লো ডেস্ক
ঢাকা: রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরে বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান উড্ডয়নের জন্য স্বতন্ত্র রানওয়ে বা ঘাঁটি নির্মাণের কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একইসঙ্গে সাইবার হামলা ও নতুন বহুমাত্রিক হুমকি মোকাবিলায় দেশীয়ভাবে ড্রোন তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন সরকারপ্রধান।
জাতীয় সংসদে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে বিভিন্ন সংসদ সদস্যের লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা প্রধানমন্ত্রী এসব তথ্য জানান।
সংসদ সদস্য মাহফুজা হান্নানের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিমান বাহিনীর দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে পৃথক বিমানঘাঁটি ও রানওয়ে নির্মাণ অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও দীর্ঘমেয়াদি বিষয়। বাংলাদেশের সীমিত ভূমির কথা বিবেচনায় নিয়ে কেবল প্রশিক্ষণের জন্য আলাদা রানওয়ে না বানিয়ে বিদ্যমান সুবিধার যথাযথ ব্যবহারকেই সরকার অধিক বাস্তবসম্মত মনে করছে।
আবহাওয়া পূর্বাভাস ব্যবস্থা নিয়ে সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, আবহাওয়া পূর্বাভাসে বাংলাদেশ পিছিয়ে রয়েছে—এমন বক্তব্য সঠিক নয়। আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় ৫ থেকে ১০ দিনের আগাম পূর্বাভাসসহ ঘূর্ণিঝড় ও অন্যান্য দুর্যোগের সতর্কবার্তা দিচ্ছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এটি আরও আধুনিক ও নিখুঁত করতে কাজ চলমান রয়েছে।
সংসদ সদস্য শিরীন সুলতানার প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বহুমাত্রিক হুমকি মোকাবিলায় সশস্ত্র বাহিনীর সাইবার নিরাপত্তা নীতিমালা পর্যালোচনা, দেশীয়ভাবে ড্রোন উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জন এবং সমুদ্রে নজরদারি বাড়ানোর কার্যকর পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন।
এছাড়া সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনির প্রশ্নের জবাবে তিনি অসামরিক কার্যক্রমে সশস্ত্র বাহিনীর অংশগ্রহণের আইনি ভিত্তি স্পষ্ট করেন। প্রধানমন্ত্রী জানান, সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদ, ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’ নির্দেশিকা এবং ফৌজদারি কার্যবিধির (সিআরপিসি) ১২৯ ধারা অনুযায়ী অসামরিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ও দুর্যোগকালে প্রশাসনকে সশস্ত্র বাহিনী সরাসরি সহায়তা করে থাকে।
বাংলাফ্লো/এম এইচ এইচ











