বিনোদন ডেস্ক
ঢাকা: দেশের আনাচে-কানাচে লুকিয়ে থাকা ক্ষুদে প্রতিভাদের সুপ্ত গুণাবলি বিকশিত করার লক্ষ্যে আবারও পর্দায় আসছে জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘শাপলাকুঁড়ি’। এবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে মেধাভিত্তিক এই প্রতিযোগিতার ১৪তম আসর। ‘যেখানে প্রতিভা, সেখানেই আমরা’—এমন চমৎকার স্লোগানকে সামনে রেখে এবারের পুরো আয়োজনটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আইয়ের পর্দায় সরাসরি সম্প্রচারিত হবে। ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে প্রতিযোগিতার রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম, যা আগামী ২০ আগস্ট পর্যন্ত উন্মুক্ত থাকবে।
গত রোববার রাজধানীর চ্যানেল আই কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই আয়োজনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয় আয়োজক প্রতিষ্ঠান জিয়া শিশু একাডেমি। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এবারের আসরে মোট ছয়টি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে শিশুরা তাদের প্রতিভা প্রমাণের সুযোগ পাবে। বিষয়গুলো হলো—কিরাত, আবৃত্তি, অভিনয়, সংগীত, নৃত্য এবং যন্ত্রসংগীত।
পুরো দেশকে মোট ১২টি অঞ্চলে ভাগ করে সেখান থেকে বাছাই করা হবে প্রাথমিক বিজয়ীদের। এরপর তারাই চূড়ান্ত বা মূল পর্বে লড়ার টিকিট পাবে। এবারের প্রতিযোগিতায় ১৫টি একক এবং ৩টি দলীয় ক্যাটাগরি রাখা হয়েছে। শর্ত অনুযায়ী, একজন প্রতিযোগী সর্বাধিক তিনটি একক এবং একটি দলীয় ইভেন্টে অংশগ্রহণ করতে পারবে।
প্রত্যেকটি বিষয়ে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীদের পুরস্কৃত করা হবে। শুধু তাই নয়, সব মিলিয়ে যাদের পারফরম্যান্স সবচেয়ে ভালো থাকবে, এমন দুজনকে দুটি আলাদা বিভাগে ‘শাপলাকুঁড়ি চ্যাম্পিয়ন’ খেতাবে ভূষিত করা হবে।
এবারের প্রজেক্ট ডিরেক্টর বা প্রকল্প পরিচালক হিসেবে যুক্ত আছেন রাজু আলীম। চ্যানেল আই এবং জিয়া শিশু একাডেমির নিজস্ব ওয়েবসাইটে গিয়ে নিবন্ধন সংক্রান্ত সকল প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে।
শিশুদের নিয়ে এমন আয়োজনের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন। তিনি জানান, মূলত প্রতিভা খোঁজার লক্ষ্যেই শিশুদের জন্য এই ধরনের অনুষ্ঠান নির্মাণ ও সম্প্রচার করা হয়। কারণ, আজকের এই ক্ষুদে প্রতিভারাই ভবিষ্যতে দেশের প্রতিনিধিত্ব করবে এবং বড় শিল্পী হয়ে উঠবে।
বাংলাফ্লো/এম এইচ এইচ












