আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ঢাকা: ইরানে বিধ্বস্ত হওয়া মার্কিন বিমানের পাইলটকে উদ্ধারের নামে চালানো অভিযানটি মূলত দেশটির সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম চুরির একটি গোপন পরিকল্পনা ছিল বলে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলেছে ইরান। সোমবার (৬ এপ্রিল) এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ দাবি জানায়। তেহরানের অভিযোগ, রোববার (৫ এপ্রিল) মার্কিন বাহিনীর পরিচালিত ওই উদ্ধার অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের পরমাণু স্থাপনা থেকে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হাতিয়ে নেওয়া।
এর আগে গত শনিবার (৫ এপ্রিল) ইরানের ইসফাহান প্রদেশে একটি মার্কিন বিমান ও হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়, যার ধ্বংসাবশেষের ছবি ও ভিডিও ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিষয়টিকে সাধারণ উদ্ধার অভিযান হিসেবে দাবি করলেও ইরান একে ‘ছদ্মবেশী অপারেশন’ আখ্যা দিয়েছে। তাদের মতে, উদ্ধার অভিযানের আড়ালে বিশেষ কমান্ডো বাহিনী পাঠিয়ে মূলত ইরানের কৌশলগত পরমাণু ভাণ্ডারে আঘাত হানার ছক কষেছিল ওয়াশিংটন।
বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এই অভিযানকে আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং সরাসরি সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত বলে উল্লেখ করেছেন। পরমাণু ইস্যুতে ইরানকে চাপে ফেলতেই যুক্তরাষ্ট্র এমন ঝুঁকিপূর্ণ ও উসকানিমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে বলে মনে করছে তেহরান। তবে এই গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে মার্কিন প্রশাসন বা পেন্টাগনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






