তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
ঢাকা: দীর্ঘ পাঁচ দশকের অপেক্ষা আর বহু প্রযুক্তিগত পরীক্ষার পর অবশেষে মহাকাশ বিজ্ঞানে রচিত হলো নতুন এক ইতিহাস। ১৯৭২ সালের অ্যাপোলো মিশনের পর ‘আর্টেমিস-২’ মিশনের মাধ্যমে আবারও চাঁদের কক্ষপথে ফিরছে মানুষ। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় অবস্থিত কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে ১ এপ্রিল, ২০২৬ তারিখ স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ২৪ মিনিটে নাসার সবচেয়ে শক্তিশালী রকেট ‘এসএলএস’-এর মাধ্যমে সফলভাবে মিশনটি উৎক্ষেপণ করা হয়। এই মুহূর্তে ৪ জন নভোচারী নিয়ে স্পেসক্রাফটটি সেকেন্ডে হাজার হাজার মাইল বেগে চাঁদের দিকে ছুটে যাচ্ছে।
তথ্য ও প্রযুক্তির চরম উৎকর্ষতায় মিশনটির খরচ শুনলে চোখ কপালে উঠতে বাধ্য। নাসার ইনস্পেক্টর জেনারেলের রিপোর্ট অনুযায়ী, পুরো আর্টেমিস প্রজেক্টের বাজেট প্রায় ৯৩ বিলিয়ন ডলার। আর শুধু আর্টেমিস-২ মিশনটি লঞ্চ করতেই নাসার খরচ হয়েছে প্রায় ৪.১ বিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি! এই বিপুল অর্থ ব্যয় করে নাসা মূলত ডিপ-স্পেস ট্রাভেলের লাইফ সাপোর্ট সিস্টেম এবং ভবিষ্যতের মঙ্গল গ্রহে যাওয়ার প্রযুক্তি পরীক্ষা করছে।
১০ দিনের এই মিশনে রয়েছেন কমান্ডার রিড ওয়াইজম্যান, পাইলট ভিক্টর গ্লোভার, মিশন স্পেশালিস্ট ক্রিস্টিনা কচ এবং কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সির জেরেমি হ্যানসেন। স্পেসক্রাফটটি চাঁদের মাটিতে অবতরণ না করে এর চারপাশ ঘুরে আসবে। নাসার শিডিউল অনুযায়ী, আগামী ১১ এপ্রিল এটি প্রশান্ত মহাসাগরে অবতরণের মাধ্যমে পৃথিবীতে ফিরে আসবে। আর্টেমিস-২ এর এই সফল যাত্রা প্রমাণ করে, বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তিতে মানুষ আজ কতটা এগিয়ে গেছে।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






