আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ঢাকা: ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বাজারে। গত ৬ দিনে দেশটিতে জ্বালানি গ্যাসের দাম ৭ শতাংশ বাড়লেও, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন—এ নিয়ে তিনি একেবারেই চিন্তিত নন। তার পুরো মনোযোগ এখন কেবল ইরানের চলমান যুদ্ধের দিকে।
বৃহস্পতিবার রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, গ্যাসের দাম বাড়লেও যুদ্ধ শেষ হলেই তা দ্রুত কমে যাবে। তাই এই মুহূর্তে গ্যাসের দাম বৃদ্ধির চেয়ে ইরানে চলমান যুদ্ধই তার কাছে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
লুইজিয়ানা ও টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বের বৃহত্তম জরুরি ভূগর্ভস্থ তেলের মজুত রয়েছে। তবে ট্রাম্প রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছেন যে, আপাতত তিনি এই কৌশলগত মজুত (Strategic Petroleum Reserve) ব্যবহার করতে চাইছেন না।
হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়াকেই জ্বালানির বাজার চড়া থাকার প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন ট্রাম্প। তবে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, শিগগিরই মার্কিন নৌসেনারা ইরানের নৌবাহিনীকে ধ্বংস করে সাগরের তলায় পাঠিয়ে দেবে, যার ফলে জাহাজ চলাচল ও জ্বালানির বাজার পুনরায় স্বাভাবিক হবে।
টানা ২১ দিনের পরমাণু সংলাপ ব্যর্থ হওয়ার পর গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন সামরিক বাহিনী ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ এবং ইসরায়েল ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে। গত ৭ দিন ধরে চলা এই হামলায় ইরানও পাল্টা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে মার্কিন ও ইসরায়েলি ঘাঁটিগুলোতে জবাব দিচ্ছে।
বাংলাফ্লো/এফআইআর



