লাইফ স্টাইল ডেস্ক
ঢাকা: পেটের গ্যাস, অম্বল বা বুক জ্বালাপোড়া অনেকেরই দৈনন্দিন সমস্যা। বিশেষ করে রাতের ভারী খাবারের পর পেটে অস্বস্তি বা ফাঁপাভাব ঘুমের মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটায়। এই ধরনের হজমজনিত সমস্যা দূর করতে যুগ যুগ ধরে প্রাকৃতিক ভেষজ উপাদান হিসেবে আদার ব্যবহার হয়ে আসছে। আদায় থাকা জিঞ্জারল ও শোগাওল নামক সক্রিয় উপাদান হজম প্রক্রিয়া উন্নত করার পাশাপাশি পাকস্থলীর পেশি শিথিল করে এবং হজম রস নিঃসরণে সহায়তা করে।
তবে আদার রস থেকে সর্বোচ্চ উপকার পেতে এটি খাওয়ার সঠিক নিয়ম ও সতর্কতা মেনে চলা জরুরি:
খাওয়ার নিয়ম ও সময়: ১ চা চামচ তাজা আদার রসের সঙ্গে সামান্য কুসুম গরম পানি মিশিয়ে পান করুন। স্বাদ বাড়াতে সামান্য মধু বা লেবুর রস যোগ করা যেতে পারে। এটি রাতের খাবারের ২০-৩০ মিনিট পর এবং ঘুমানোর অন্তত দুই ঘণ্টা আগে খাওয়া সবচেয়ে বেশি উপকারী।
সতর্কতা ও মাত্রা: গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা এড়াতে খালি পেটে আদার রস খাওয়া একদমই উচিত নয় এবং দিনে ১ চা চামচের বেশি না খাওয়াই ভালো। যাদের আলসার, অতিরিক্ত অ্যাসিডিটি বা পিত্তথলির সমস্যা রয়েছে, গর্ভবতী নারী এবং যারা রক্ত পাতলা করার ওষুধ খান, তাদের নিয়মিত আদার রস খাওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন: শুধু আদার রস খেলেই হবে না, সুস্থ থাকতে রাতে অতিরিক্ত ভাজাপোড়া ও মসলাদার খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। খাবার ধীরে ধীরে চিবিয়ে খেতে হবে এবং খাওয়ার পরপরই শুয়ে না পড়ে হালকা হাঁটাহাঁটির অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
বাংলাফ্লো/এফআইআর



