বিনোদন ডেস্ক
ঢাকা: দীর্ঘ এক দশক বলিউডে রাজত্ব করার পর কেন হঠাৎ করে মার্কিন মুলুকে পাড়ি জমিয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া—ভক্তদের মনে দীর্ঘদিনের এই প্রশ্নের অবশেষে জবাব দিলেন অভিনেত্রী নিজেই। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, বলিউডের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং কাজের সুযোগ সীমিত হয়ে আসার কারণে অনেকটা ‘কোণঠাসা’ হয়েই ভারত ছাড়ার কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি।
সাক্ষাৎকারে প্রিয়াঙ্কা বলেন, নিজের অভিনয় দক্ষতা প্রমাণের ক্ষুধা থাকা সত্ত্বেও তিনি বলিউডে সঠিক সুযোগ পাচ্ছিলেন না। তাকে ধীরে ধীরে একঘরে করে ফেলা হচ্ছিল এবং কাজের পরিধি কমে আসায় এক ধরনের শূন্যতা তৈরি হয়েছিল। এই সীমাবদ্ধতাগুলো উপলব্ধি করেই নতুন গন্তব্য খোঁজার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
বলিউড থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমানোর এই যাত্রা মোটেও সহজ ছিল না প্রিয়াঙ্কার জন্য। ৩০ বছর বয়সে নতুন করে ক্যারিয়ার শুরুর চ্যালেঞ্জ নিয়ে প্রথমে মিউজিক ইন্ডাস্ট্রি এবং পরে জনপ্রিয় টিভি সিরিজ ‘কোয়ান্টিকো’র মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে নতুন পরিচিতি গড়ে তোলেন তিনি। বর্তমানে হলিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রীদের একজন এই ‘দেশি গার্ল’।
২০১৮ সালে মার্কিন পপ তারকা নিক জোনাসকে বিয়ের পর বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন প্রিয়াঙ্কা। ২০১৯ সালে ‘দ্য স্কাই ইজ পিঙ্ক’ সিনেমায় তাকে সর্বশেষ বলিউডের পর্দায় দেখা গিয়েছিল। তবে দীর্ঘ বিরতির পর তিনি আবারও ভারতীয় প্রজেক্টে ফিরতে চলেছেন। গুঞ্জন রয়েছে, ‘বারাণসী’ নামের নতুন একটি সিনেমায় খুব শিগগিরই দেখা যেতে পারে তাকে।
বাংলাফ্লো/এম এইচ এইচ






