তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
ঢাকা: ঘরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বর্তমানে সিকিউরিটি ক্যামেরার ব্যবহার বাড়লেও হ্যাকিংয়ের ঝুঁকি নিয়ে অনেকেই চিন্তিত। তবে কিছু বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করলে এই ঝুঁকি অনেকটাই এড়ানো সম্ভব। প্রথমেই নকল, অতিরিক্ত সস্তা বা অজানা ব্র্যান্ডের ক্যামেরা কেনা থেকে বিরত থাকতে হবে। ব্যবহৃত ক্যামেরা কেনার ক্ষেত্রেও সতর্ক হওয়া জরুরি, কারণ তা পুরোপুরি রিসেট করা হয়েছে কি না তা নিশ্চিত করা কঠিন। ক্যামেরা কেনার আগে সংশ্লিষ্ট ব্র্যান্ডের অতীত নিরাপত্তা রেকর্ড এবং তারা ডেটা ক্লাউডে নাকি লোকাল স্টোরেজে সংরক্ষণ করে, তা যাচাই করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।
প্রযুক্তিগত নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ‘এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন’ সুবিধাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রযুক্তিতে ভিডিও ডেটা কোড আকারে রূপান্তরিত হয়, ফলে হ্যাকাররা ডেটা চুরি করলেও তা দেখতে পারে না। এছাড়া বাড়ির ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা জোরদার করতে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড, এনক্রিপশন এবং সম্ভব হলে ফায়ারওয়াল বা গেস্ট নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা উচিত। দুর্বল নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা পুরো স্মার্ট হোম সিস্টেমকেই ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।
দীর্ঘমেয়াদী নিরাপত্তার জন্য নিয়মিত ক্যামেরার সফটওয়্যার বা ফার্মওয়্যার আপডেট করা অপরিহার্য। অটো আপডেট অপশন চালু রাখলে নতুন সুরক্ষা ফিচারগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুক্ত হয়ে যায়। পাশাপাশি, ‘টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন’ (2FA) চালু রাখা জরুরি। এতে পাসওয়ার্ডের পাশাপাশি এসএমএস বা বায়োমেট্রিক যাচাইয়ের প্রয়োজন হয়, যা হ্যাকারদের জন্য বড় বাধা সৃষ্টি করে। আধুনিক প্রযুক্তি নিরাপদ হলেও ব্যবহারকারীদের এই সাধারণ নিয়মগুলো মেনে চলা নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






