আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ঢাকা: ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের আকস্মিক ও রক্তক্ষয়ী সামরিক আগ্রাসনে অন্তত ৪০ জন মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন বেসামরিক নাগরিকও রয়েছেন। দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে ভেনেজুয়েলার শীর্ষ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এই হতাহতের তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) শেষ রাতে পরিচালিত এই হামলায় রাজধানী কারাকাসের বিভিন্ন সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভেনেজুয়েলার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভান গিল পিন্টো শনিবার এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপকে ‘স্পষ্ট সামরিক আগ্রাসন’ হিসেবে অভিহিত করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। হামলার পরপরই ভেনেজুয়েলা সরকার দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছে এবং রাজধানীসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় মোতায়েন করা হয়েছে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই হামলার দায় স্বীকার করে দাবি করেছেন যে, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে সফলভাবে আটক করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে তাদের নিউইয়র্কের ব্রুকলিনের কুখ্যাত মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টারে (এমডিসি) বন্দী রাখা হয়েছে। যদিও ভেনেজুয়েলা সরকার এখনো মাদুরোকে আটকের বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি, তবে যুক্তরাষ্ট্রের এমন আগ্রাসী আচরণের নিন্দা জানিয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই হামলার ফলে লাতিন আমেরিকা অঞ্চলে নতুন করে চরম উত্তেজনা ও অস্থিতিশীলতা তৈরি হতে পারে।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






