আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ঢাকা: ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) সামরিক মহড়ার আড়ালে ইসরায়েলে আকস্মিক মিসাইল হামলা চালাতে পারে—এমন আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা পাঠিয়েছে তেল আবিব। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওস-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েল বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত ট্রাম্প প্রশাসনকে এরই মধ্যে অবহিত করেছে।
মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে এক্সিওস জানায়, ২০২৩ সালে হামাসের হামলার পর থেকে ইসরায়েল নিরাপত্তা ইস্যুতে ‘জিরো রিস্ক’ নীতি অবলম্বন করছে। যেকোনো ছোটখাটো নড়াচড়াকেও তারা এখন বড় হুমকি হিসেবে দেখছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়:
ছয় সপ্তাহ আগেও আইআরজিসি একই ধরনের মহড়া চালিয়েছিল এবং তখনও ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করেছিল।
এক ইসরায়েলি কর্মকর্তার মতে, “ইরানের হামলার সম্ভাবনা ৫০ শতাংশের কম হলেও, এটি শুধুই মহড়া—এমনটা ভেবে কেউ ঝুঁকি নিতে রাজি নয়।”
যদিও মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, ইরান এখনই হামলা চালাবে এমন কোনো নিশ্চিত ইঙ্গিত তারা পাননি। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে ‘ভুল বোঝাবুঝি’ (Miscalculation) থেকে বড় যুদ্ধ বেধে যেতে পারে। মহড়াকে ‘হামলার প্রস্তুতি’ ভেবে যেকোনো এক পক্ষ আগবাড়িয়ে আক্রমণ করে বসলে পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে।
প্রতিবেদনে গত জুন মাসে (২০২৫) ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সংঘটিত ১২ দিনের যুদ্ধের প্রসঙ্গ উঠে এসেছে। ওই যুদ্ধের পর ইরানের মিসাইল সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে:
যুদ্ধের কারণে ইরানের মিসাইল ভান্ডার প্রায় ৫০ শতাংশ কমে গেছে।
মার্কিন ও ইসরায়েলি গোয়েন্দাদের ধারণা, তেহরানের কাছে বর্তমানে মাত্র ২০০টি মিসাইল লঞ্চার অবশিষ্ট আছে।
যুদ্ধলব্দ ঘাটতি পূরণে ইরান মিসাইল উৎপাদন বাড়ালেও তা এখনো আগের অবস্থায় পৌঁছাতে পারেনি।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






