আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ঢাকা: যুদ্ধবিরতির দুই মাস পেরিয়ে গেলেও ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় এখনো মিলছে যুদ্ধের ভয়াবহ ক্ষত। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) সারা দিন গাজা সিটির বিভিন্ন ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ৯৪ জনের দেহাবশেষ উদ্ধার করেছেন গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা। ইসরায়েলি বাহিনীর বোমার আঘাতে ধ্বংস হওয়া ভবনের জঞ্জালের নিচে চাপা পড়ে এই মানুষগুলো প্রাণ হারিয়েছিলেন।
উদ্ধারকৃত দেহাবশেষগুলো গাজার প্রধান হাসপাতাল আল-শিফা মেডিকেল কমপ্লেক্সের ফরেনসিক বিভাগে হস্তান্তর করা হয়। সেখানে প্রক্রিয়া শেষে দেইর আল বালাহের শহীদ গোরস্তানে তাদের দাফন সম্পন্ন হয়।
২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর ডিসেম্বর থেকে পুরোদমে উদ্ধারকাজ শুরু করে বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনী। কর্মকর্তাদের মতে, গাজা উপত্যকায় অনুসন্ধান চালালে ধ্বংসস্তূপের নিচে এমন হাজারো মরদেহ মেলার আশঙ্কা রয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা তুরস্কের আনাদোলু এজেন্সিকে জানান, উদ্ধারকাজ শুরুর পর এই প্রথম একদিনে এত বিপুল সংখ্যক দেহাবশেষ উদ্ধার করা হলো।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর শুরু হওয়া এই দীর্ঘ সংঘাতে গাজায় নিহতের সংখ্যা এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৭০ হাজার ৭০০ জন। আহত হয়েছেন ১ লাখ ৭০ হাজারের বেশি মানুষ, যাদের বড় অংশই নারী ও শিশু।
ইসরায়েলি বোমায় ধ্বংস হওয়া হাজার হাজার ভবনের কারণে গাজায় শত শত টন আবর্জনা ও ধ্বংসাবশেষ জমা হয়েছে। এই বিশাল জঞ্জাল সরিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা এবং এলাকা পরিষ্কার করা এখন গাজার জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






