বিনোদন ডেস্ক
ঢাকা: সারা বিশ্বের সিনেপ্রেমীদের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে মুক্তি পেল জেমস ক্যামেরনের মহাকাব্যিক সায়েন্স ফিকশন সিরিজের তৃতীয় কিস্তি ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’। শুক্রবার বিশ্বব্যাপী মুক্তির দিনেই ঢাকার প্রেক্ষাগৃহেও শুরু হয়েছে সিনেমাটির প্রদর্শনী। ২০০৯ সালে প্যান্ডোরার জাদুকরী জগতের সঙ্গে পরিচয়ের পর এবং ২০২২ সালে ‘দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’-এর সাফল্যের ধারাবাহিকতায় এবার পর্দায় এল এই নতুন অধ্যায়।
নতুন এই সিনেমার কেন্দ্রে রয়েছে জ্যাক সুলি ও নেইতির পরিবার। আগের পর্বে বড় ছেলে নেটেয়ামের মৃত্যু পরিবারটিতে যে গভীর ক্ষত তৈরি করেছে, তার রেশ কাটতে না কাটতেই তাদের সামনে আসে নতুন বিপদ। এবারের কিস্তিতে প্রথমবারের মতো দর্শকরা দেখবেন প্যান্ডোরার ‘আগুন উপজাতি’ বা ‘অ্যাশ পিপল’-দের, যারা সিনেমার মোড় ঘুরিয়ে দেবে। প্যারিসে এক সংবাদ সম্মেলনে জেমস ক্যামেরন বলেন, “দর্শকরা দেখবেন, সন্তানরা বড় হয়ে নিজেদের পরিচয় খুঁজছে। মা পুরোপুরি নাভি এবং বাবা মানুষ হওয়ায় তাদের এই শংকর জীবন হাসি-আনন্দের সঙ্গে এক ঝাঁক চ্যালেঞ্জও নিয়ে আসে।”
সম্প্রতি লন্ডনে সিনেমাটির বিশেষ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সমালোচকরা ক্যামেরনের ‘ভিজ্যুয়াল জাদু’ দেখে মুগ্ধ হয়েছেন। মাইকেল লি লিখেছেন, “এই সিনেমার ভিজ্যুয়াল ও অ্যাকশন দাঁড়িয়ে গেছে আলাদা এক উচ্চতায়।” স্যাম ওয়ার্থিংটন, জো স্যালদানা, সিগর্নি উইভার, স্টিফেন ল্যাং ও কেট উইন্সলেটের অভিনয় আবারও দর্শকদের বড় পর্দার অভিজ্ঞতার দিকে টেনে নিচ্ছে।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






