৩০ দিন পার হলে আপিল নয়, রায় কার্যকর হবে: প্রসিকিউটর তামীম
বাংলাফ্লো প্রতিনিধি
ঢাকা: জুলাই-আগস্ট গণহত্যার দায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের মৃত্যুদণ্ড এবং রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের পর, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের আপিলের সময়সীমা স্পষ্ট করে দিয়েছে প্রসিকিউশন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে রায় ঘোষণার দিন থেকে ৩০ দিনের মধ্যে আপিল দাখিল করতে হবে। এই সময়সীমা পার হয়ে গেলে, আপিল করার আর কোনো সুযোগ থাকবে না।
মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম এ তথ্য জানান।
প্রসিকিউটর তামীম বলেন, ট্রাইব্যুনাল আইনের ২১(৩) ধারায় স্পষ্ট বলা আছে, রায় ঘোষণার দিন থেকে ৩০ দিনের মধ্যে আপিল দাখিল করতে হবে। তিনি এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে বলেন, সাধারণ ফৌজদারি আইনে বিলম্ব মওকুফের সুযোগ থাকলেও, ট্রাইব্যুনাল আইনে সেই সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, “যদি শেখ হাসিনা ৩০ দিনের মধ্যে দেশে না ফেরেন এবং তিন মাস পরেও ফিরে আসেন, তখন কি আপিল করা যাবে? না, ৩০ দিন পেরোলে আপিলের সুযোগ আর থাকবে না; তারা গ্রেফতার হলে রায় কার্যকর হবে।”
প্রসিকিউটর আরও জানান, আপিল বিভাগ ‘কমপ্লিট জাস্টিস’ নিশ্চিত করার ক্ষমতা রাখলেও, বিশেষ আইনের নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রম করলে বিলম্ব মওকুফের কোনো বিধান নেই।
দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক আইজিপি মামুন এখন আর ট্রাইব্যুনালে জামিন চাইতে পারবেন না। তিনি শুধু রায়ের সার্টিফাইড কপি সংগ্রহ করতে পারবেন এবং সেই নথি নিয়ে আপিল বিভাগে আপিল করার সময়ই জামিন আবেদন করতে পারবেন।
জুলাই যোদ্ধারা এবং তাঁদের পরিবার মামুনের ৫ বছরের সাজাকে অপ্রতুল মনে করে আপিল করতে ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। প্রসিকিউটর জানান, তাঁরাও চাইলে আইন অনুযায়ী ৩০ দিনের মধ্যে আপিল বিভাগে যেতে পারবেন।
দণ্ডপ্রাপ্তদের যা করার, তা এই ৩০ দিনের ভেতরেই করতে হবে বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন প্রসিকিউটর তামীম।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






