স্পোর্টস ডেস্ক
ঢাকা: দীর্ঘ এক যুগ পর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) আবারও ফিরছে প্লেয়ার নিলাম (অকশন) পদ্ধতি। আসন্ন আসরকে সামনে রেখে, বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল ক্রিকেটারদের দলে ভেড়ানোর এই পুরনো পদ্ধতির বিস্তারিত নিয়মাবলী প্রকাশ করেছে। এতে দেশি ও বিদেশি ক্রিকেটারদের জন্য আলাদা ক্যাটাগরি, ভিত্তি মূল্য, বিডিংয়ের নিয়ম এবং দলগুলোর জন্য খরচের সর্বোচ্চ সীমা (Salary Cap) নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।
দেশি ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক বাংলাদেশি টাকায় (BDT) নির্ধারণ করা হয়েছে এবং তাঁদের ‘এ’ থেকে ‘এফ’ পর্যন্ত ছয়টি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে।
‘এ’ ক্যাটাগরির ভিত্তি মূল্য সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা এবং ‘এফ’ ক্যাটাগরির ভিত্তি মূল্য ১১ লাখ টাকা।
নিলামে কোনো খেলোয়াড়কে নিয়ে একাধিক দল বিড করলে, ‘এ’ ক্যাটাগরির জন্য প্রতি বিডে ৫ লাখ টাকা করে দাম বাড়বে। অন্যান্য ক্যাটাগরিতে এই বৃদ্ধির পরিমাণ হবে যথাক্রমে ৩ লাখ, ১ লাখ, ৫০ হাজার, ৩০ হাজার এবং ২০ হাজার টাকা।
প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজি নিলামের আগে সর্বোচ্চ ২ জন দেশি ক্রিকেটারকে সরাসরি স্বাক্ষর করাতে পারবে। নিলাম থেকে সর্বনিম্ন ১৩ জন এবং সব মিলিয়ে সর্বোচ্চ ১৬ জন দেশি ক্রিকেটার দলে রাখা যাবে। দেশি ক্রিকেটারদের জন্য দলগুলোর সর্বোচ্চ ব্যয়ের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে সাড়ে ৪ কোটি টাকা।
বিদেশি ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক মার্কিন ডলারে (USD) নির্ধারণ করা হয়েছে এবং তাঁদের ‘এ’ থেকে ‘ই’ পর্যন্ত পাঁচটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে।
‘এ’ ক্যাটাগরির ভিত্তি মূল্য সর্বোচ্চ ৩৫ হাজার ডলার এবং ‘ই’ ক্যাটাগরির ভিত্তি মূল্য সর্বনিম্ন ১০ হাজার ডলার।
ক্যাটাগরিভেদে প্রতি বিডে খেলোয়াড়দের দাম ৫ হাজার, ৪ হাজার, ৩ হাজার, ২ হাজার এবং ১ হাজার ডলার করে বাড়বে।
ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো নিলামের আগে বা পরে সর্বোচ্চ ২ জন বিদেশি ক্রিকেটারকে সরাসরি স্বাক্ষর করাতে পারবে। নিলাম থেকে সর্বনিম্ন ২ জন বিদেশি ক্রিকেটারকে দলে নিতে হবে। বিদেশি ক্রিকেটারদের জন্য (সরাসরি স্বাক্ষরসহ) মোট ব্যয়ের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে সাড়ে ৩ লাখ ডলার।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






