যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও চীন একটি সম্ভাব্য বাণিজ্য চুক্তির ফ্রেমওয়ার্ক বা কাঠামো নিয়ে একমত হয়েছে, যা নিয়ে চলতি সপ্তাহেই দেশ দুটির শীর্ষ নেতারা আলোচনা করবেন।
আজ (২৭ অক্টোবর) সোমবার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বিবিসি জানিয়েছে, এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে টিকটকের কার্যক্রম ও বিরল খনিজের ওপর চীনের কঠোর নিয়ন্ত্রণ স্থগিতের ব্যাপারে ‘চূড়ান্ত চুক্তির’ বিষয়ও রয়েছে বলে জানিয়ে স্কট বেসেন্ট বলেছেন, চীনা পণ্যের ওপর শতভাগ শুল্ক আরোপে ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকি কার্যকর হবে এটি তিনি কল্পনাও করেননি, যেখানে চীন যুক্তরাষ্ট্র থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ সয়াবিন ক্রয় করা শুরু করতে যাচ্ছেন।
তিনি বলেন, বিশ্বের সবচেয়ে বড় দুই অর্থনীতির দেশ বাণিজ্য যুদ্ধে উত্তেজনা আরও বাড়ানোর বিষয়টি এড়ানোর চেষ্টা করছে। এমন প্রেক্ষাপটে ট্রাম্প ও শি জিনপিং বৃহস্পতিবার দক্ষিণ কোরিয়ায় বৈঠকে বসার কথা রয়েছে। দুই নেতার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্রেমওয়ার্কে পৌঁছেছে দুই দেশ। “শুল্ক এড়ানো হবে,” বলে জানিয়েছেন তিনি।
দ্বিতীয় মেয়াদে হোয়াইট হাউজে আসার পর ট্রাম্প বিভিন্ন দেশের ওপর শুল্ক আরোপ করেছেন। তার যুক্তি হলো এই নীতি দেশটির উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বাড়াবে। শুল্ক প্রয়োগের কারণে যুক্তরাজ্যসহ অনেক দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সাথে নতুন করে বাণিজ্য চুক্তি করতে সম্মত হয়েছে। তবে ট্রাম্প চীনের ওপর সবচেয়ে বেশি শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন। জবাবে বেইজিংও পাল্টা পদক্ষেপ নিয়েছে।
যদিও উভয় পক্ষ এখুনি সেটি কার্যকর থেকে বিরত থাকতে সম্মত হয়েছে। তবে, ট্রাম্প বলেছেন, চীন বিরল খনিজ রপ্তানির ওপর নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত করলে তিনি নভেম্বর থেকে চীনা পণ্যে ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবেন। তিনি বেইজিংয়ের বিরুদ্ধে ‘বিশ্বকে জিম্মি করার চেষ্টার’ অভিযোগ এনেছেন।
চীনা সরকার এক বিবৃতিতে বলেছে, দুই দেশের আলোচক দল তাদের উদ্বেগের বিষয়গুলো নিয়ে একটি মৌলিক সমঝোতায় পৌঁছেছে। উভয় পক্ষই বিস্তারিত আলোচনা করে বিষয়গুলো আরও চূড়ান্ত করতে একমত হয়েছে।


