ডলার সরবরাহ পরিস্থিতি উন্নতি হওয়ায় দেশে বেসরকারি খাতের স্বল্পমেয়াদি বিদেশি ঋণ দ্রুত কমছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আগস্ট শেষে এ ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৯৫৫ কোটি ডলারে- যা প্রায় ৫ বছরের (৫৬ মাস) মধ্যে সর্বনিম্ন। ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে এই ঋণ ছিল ৯১৯ কোটি ডলার।
কোভিড-পরবর্তী সময়ে সুদহার ও ডলারের দর বেড়ে যাওয়ায় ব্যবসায়ীরা ঋণ পরিশোধে দেরি করছিলেন। এখন ডলারের বাজার স্থিতিশীল হওয়ায় অনেকেই ঋণ পরিশোধ করছেন। ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, রপ্তানি, রেমিট্যান্স ও বৈদেশিক সহায়তা বাড়ায় বাজারে স্বস্তি ফিরেছে।
২০২১ সালে বেসরকারি খাতের স্বল্পমেয়াদি ঋণ ছিল ১,৫৪৬ কোটি ডলার, যা ২০২৪ সালের শেষে নেমে আসে ১,০১৩ কোটিতে। আগস্টে তা কমে ৯৫৫ কোটিতে দাঁড়ায়।
অন্যদিকে, সামগ্রিক বিদেশি ঋণ বেড়েছে। জুন শেষে দেশের মোট বৈদেশিক ঋণ দাঁড়িয়েছে ১১২ দশমিক ১৫ বিলিয়ন ডলারে, যার বড় অংশ সরকারি খাতে।
রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ে রেকর্ড প্রবৃদ্ধিতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে- ৩১ মাস পর এটি সর্বোচ্চ।


