লাইফ স্টাইল ডেস্ক
ঢাকা: রোজা শুধু পানাহার থেকে বিরত থাকার নাম নয়, বরং রমজান হলো আত্মশুদ্ধি ও মানসিক প্রশান্তির সুবর্ণ সময়। সারা বছরের মানসিক বিক্ষিপ্ততা দূর করে আধ্যাত্মিকতায় মন দেওয়ার মাস এটি। বর্তমানে আমরা এমন অনেক কিছুতে অভ্যস্ত, যা আমাদের মানসিক ও শারীরিক চাপ অযথাই বাড়িয়ে দেয়। বিশেষজ্ঞরা এই পবিত্র মাসে পার্থিব বিক্ষিপ্ততা এড়িয়ে মানসিক প্রশান্তি ও আত্মশুদ্ধির জন্য কিছু বিশেষ পরামর্শ দিয়েছেন।
রমজানে মানসিক প্রশান্তির জন্য যা করণীয়:
সোশ্যাল মিডিয়া থেকে সাময়িক দূরত্ব: দিনের বড় একটি সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় নষ্ট না করে সাময়িকভাবে তা থেকে দূরে থাকা যেতে পারে। বেঁচে যাওয়া এই অমূল্য সময়টুকু জিকির, দোয়া ও কোরআন তিলাওয়াতের মতো ইবাদতে কাজে লাগানো যায়।
কাজের সময়সূচির সমন্বয়: রোজা ও নামাজের সময় অনুযায়ী অফিসের বা ব্যক্তিগত কাজের সময়সূচি সমন্বয় করা উচিত। প্রয়োজনে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে কর্মঘণ্টা নির্ধারণ করা যেতে পারে, যাতে ইবাদতে ব্যাঘাত না ঘটে।
কাজের ফাঁকে ছোট বিরতি ও ইবাদত: কাজের বা মিটিংয়ের ফাঁকে যেটুকু অবসর পাওয়া যায়, তাতে জিকির বা কোরআনের কিছু আয়াত পড়া যেতে পারে। এটি অত্যন্ত সওয়াবের এবং কাজের ফাঁকে খুব সহজেই পালনযোগ্য একটি ইবাদত।
আধ্যাত্মিক দায়িত্বকে অগ্রাধিকার: শত ব্যস্ততার মাঝেও ইবাদতের জন্য আলাদা সময় নির্ধারণ করা জরুরি। কাজের চাপে যাতে নামাজ বা কোরআন তিলাওয়াতের কথা ভুলে না যান, সেজন্য ফোনে অ্যালার্ম বা রিমাইন্ডার সেট করা যেতে পারে।
কাজের চাপ নিয়ন্ত্রণ: রমজানে অকারণে অতিরিক্ত কাজের দায়িত্ব নেওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত। কাজের চাপ কমিয়ে সেই সময়টা ইবাদতে ব্যয় করলে মানসিক চাপ কমে এবং অদ্ভুত এক প্রশান্তি মেলে।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






