স্পোর্টস ডেস্ক
ঢাকা: ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে ১০৭ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ব্যাট হাতে রেকর্ড গড়া সংগ্রহের পর বোলারদের দাপটে পাওয়া এই জয়টি চলতি বিশ্বকাপের আসরে সর্বোচ্চ ব্যবধানে জয়ের নতুন রেকর্ড। এর আগে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ওমানকে ১০৫ রানে হারিয়ে এই রেকর্ডের মালিক ছিল শ্রীলঙ্কা।
হেটমায়ার-পাওয়েলের তাণ্ডব ও রেকর্ড সংগ্রহ: টস জিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠান জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। শুরুতেই ব্রেন্ডন কিং (৯) ও শাই হোপকে (১৪) হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়েছিল ক্যারিবীয়রা। তবে এরপরই শুরু হয় শিমরন হেটমায়ারের তাণ্ডব। ইনিংসের চতুর্থ ওভারে ক্যাচ তুলে দিয়ে জীবন পাওয়ার পর মাত্র ১৯ বলে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। রোভম্যান পাওয়েলকে সঙ্গে নিয়ে মাত্র ৫২ বলে ১২২ রানের বিধ্বংসী জুটি গড়েন হেটমায়ার। সেঞ্চুরির সুযোগ থাকলেও মাত্র ৩৪ বলে ৭টি করে চার ও ছক্কায় ৮৫ রান করে থামেন তিনি। অন্যদিকে পাওয়েল ৩৫ বলে ৪টি করে চার ও ছক্কায় করেন ৫৯ রান।
শেষদিকে শেরফাইন রাদারফোর্ড (১৩ বলে অপরাজিত ৩১), রোমারিও শেফার্ড (১০ বলে ২১) ও জেসন হোল্ডারের (৪ বলে ১৩) ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ২৫৪ রানের বিশাল পাহাড় দাঁড় করায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এই সংগ্রহের মাধ্যমে বেশ কয়েকটি রেকর্ড হয়েছে:
এটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ।
চলতি বিশ্বকাপের আসরেও এটি কোনো দলের সর্বোচ্চ রান।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সামগ্রিক ইতিহাসে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ (শীর্ষে রয়েছে কেনিয়ার বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার করা ২৬০ রান)।
রান তাড়ায় জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং বিপর্যয়: ২৫৫ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে জিম্বাবুয়ে। পাওয়ার প্লের ভেতরেই ৩ জন ব্যাটার সাজঘরে ফেরেন এবং সপ্তম ওভারে আরও এক উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে রোডেশীয়রা। ডিওন মেয়ার্স ২৮ রান করে আউট হওয়ার পর পঞ্চম উইকেটে টনি মুনয়োঙ্গাকে (১৪) নিয়ে চাপ সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন অধিনায়ক সিকান্দার রাজা (২৭)। তবে বিশাল রান রেটের চাপে তারা কেউই টিকতে পারেননি। শেষ উইকেটে ব্র্যাড ইভান্স মাত্র ২১ বলে ২টি চার ও ৫টি ছক্কায় ৪৩ রানের একটি ঝড়ো ক্যামিও খেললেও জিম্বাবুয়ের ইনিংস থামে ১৪৭ রানে।
বল হাতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে গুদাকেশ মোতি ২৮ রান দিয়ে সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট তুলে নেন। এছাড়া আকিল হোসেন শিকার করেন ৩টি উইকেট।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






