আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ঢাকা: জাতিসংঘে ইরানের দেওয়া কড়া সতর্কবার্তার পর মধ্যপ্রাচ্যের কাতার ও বাহরাইনে অবস্থিত নিজেদের সামরিক ঘাঁটি থেকে সেনা সরাতে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। সম্প্রতি জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসকে দেওয়া এক চিঠিতে সংস্থাটিতে নিযুক্ত ইরানি প্রতিনিধি আমির সাঈদ ইরাভানি হুঁশিয়ারি দেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানে আগ্রাসন চালালে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও সম্পদকে ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে বিবেচনা করবে তেহরান।
ইরানের এই হুমকির পরপরই পেন্টাগন কাতার ও বাহরাইন থেকে সেনা সরানোর সিদ্ধান্ত নেয়। মধ্যপ্রাচ্যের মোট আটটি দেশে (কাতার, বাহরাইন, ইরাক, সিরিয়া, কুয়েত, সৌদি আরব, জর্ডান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত) যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, যেখানে পেন্টাগনের তথ্যমতে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করছেন। এর মধ্যে কাতারের আল উবেইদ ঘাঁটিটি সবচেয়ে বড় এবং বাহরাইনের ঘাঁটিটি মার্কিন নৌবাহিনীর ৫ম ফ্লিট ব্যবহার করে থাকে।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের জুন মাসে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের সংঘাতের সময় কাতারের এই ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল ইরান। তবে বর্তমানে কেবল এই দুটি ঘাঁটি থেকে সেনা সরানো হলেও বাকি ৬টি ঘাঁটি থেকে সেনা প্রত্যাহারের কোনো খবর এখনো পাওয়া যায়নি। কেন শুধু কাতার ও বাহরাইন থেকে সেনা সরানো হচ্ছে—এ বিষয়ে মার্কিন সামরিক বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকম) নিউইয়র্ক টাইমসের কাছে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
বাংলাফ্লো/এফআইআর





