আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ঢাকা: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ প্রায় চার বছর গড়িয়েছে। তবে এখনও কিয়েভ শান্তি আলোচনার জন্য প্রস্তুত নয় বলে মন্তব্য করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) মস্কোতে আয়োজিত নিজের বার্ষিক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই মন্তব্য করেন। একই দিনে যুদ্ধের ভয়াবহতার সাক্ষী হিসেবে রাশিয়ার কাছ থেকে নিজেদের ১ হাজার ৩ জন সৈনিকের মরদেহ ফেরত পেয়েছে ইউক্রেন।
পুতিন বলেন, “মস্কো বিশ্বাস করে না যে, ইউক্রেন বর্তমানে শান্তি আলোচনার জন্য প্রস্তুত। তবে ২০২৪ সালে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যে নীতিমালা তুলে ধরা হয়েছিল, তার ভিত্তিতে সংঘাত শান্তিপূর্ণভাবে শেষ করতে মস্কো এখনো প্রস্তুত ও আগ্রহী।”
সংবাদ সম্মেলনে রুশ প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, যুদ্ধের ময়দানে তার বাহিনী সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। তিনি বলেন, “আমাদের সৈন্যরা পুরো সীমান্তজুড়ে (ফ্রন্টলাইন) অগ্রসর হচ্ছে এবং শত্রুপক্ষ সব দিকেই পিছু হটছে।” তিনি রুশ বাহিনীর সাম্প্রতিক ভূখণ্ড দখলের এবং অগ্রগতির প্রশংসা করেন।
পুতিনের এই হুংকারের দিনেই এক মানবিক অথচ বেদনাদায়ক ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার ইউক্রেন নিশ্চিত করেছে যে, তারা রাশিয়ার কাছ থেকে ১ হাজার ৩ জন নিহত সেনাসদস্যের মরদেহ ফেরত পেয়েছে। ইউক্রেনের যুদ্ধবন্দি বিষয়ক সমন্বয় সদরদপ্তর এক বিবৃতিতে জানায়, “আজ প্রত্যাবাসন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। শনাক্তকৃত ১ হাজার ৩টি মরদেহ ইউক্রেনে ফেরত আনা হয়েছে।” মস্কোর দাবি, রুশ সেনাবাহিনীর সঙ্গে লড়াইয়েই এই বিশাল সংখ্যক ইউক্রেনীয় সৈন্য নিহত হয়েছিলেন।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






