লাইফ স্টাইল ডেস্ক
ঢাকা: তেঁতুলের নাম শুনলেই জিভে জল আসে না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। টক-মিষ্টি স্বাদের এই ফলটি কেবল চাটনি, আচার বা রান্নার স্বাদ বাড়াতেই ব্যবহৃত হয় না, বরং এর রয়েছে জাদুকরী সব পুষ্টিগুণ। এশিয়া থেকে আফ্রিকা, দক্ষিণ আমেরিকা থেকে ক্যারিবিয়ান—বিশ্বজুড়েই তেঁতুলের কদর তুঙ্গে। তবে কেবল স্বাদ নয়, শরীর সুস্থ রাখতেও তেঁতুলের জুড়ি মেলা ভার। ওয়েব এমডি-এর তথ্য অনুযায়ী জেনে নেওয়া যাক তেঁতুলের অজানা সব গুণাগুণ ও সতর্কতা।
পুষ্টির ভাণ্ডার: তেঁতুলকে বলা হয় পুষ্টির পাওয়ার হাউজ। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি১ (থয়ামিন), ভিটামিন বি৩ (নিয়াসিন), পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফরাস। প্রতি আধা কাপ তেঁতুলে প্রায় ১৪৩ ক্যালোরি, ২ গ্রাম প্রোটিন, ৩৮ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট এবং ৩৪ গ্রাম চিনি থাকে। এছাড়া শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় বেশিরভাগ অ্যামিনো অ্যাসিডের জোগান দেয় এই ফল।
স্বাস্থ্য উপকারিতা:
ক্যানসার প্রতিরোধ: তেঁতুলে থাকা শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফাইটোকেমিক্যাল শরীরের কোষের ক্ষতি রোধ করে, যা ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে।
মস্তিষ্ক ও স্নায়ুর সুরক্ষা: থয়ামিন ও ফোলেট সমৃদ্ধ হওয়ায় তেঁতুল মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকারিতা অটুট রাখতে বিশেষ ভূমিকা রাখে।
মজবুত হাড়: ম্যাগনেশিয়াম ও ক্যালসিয়ামের দারুণ উৎস হওয়ায় এটি হাড়ের ঘনত্ব বজায় রাখতে এবং হাড়কে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে।
সতর্কতা: উপকারিতা অনেক হলেও তেঁতুল খাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু সাবধানতা অবলম্বন করা জরুরি। তেঁতুলের অধিকাংশ ক্যালোরি আসে চিনি থেকে। তাই যারা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান বা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ে চিন্তিত, তাদের এটি পরিমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত। বিশেষ করে তেঁতুলের তৈরি ক্যান্ডি বা পানীয়তে অতিরিক্ত চিনি মেশানো থাকে, যা ডায়াবেটিস বা বিপাকীয় সমস্যার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
বাংলাফ্লো/এফআইআর



