বুধবার এই ৮ অক্টোবর, পাঠাও পাড়ি দিচ্ছে ১০ বছর! ২০১৫ সালে এক সাহসী স্বপ্ন থেকে শুরু হওয়া যাত্রা আজ পরিণত হয়েছে দেশের প্রথম সুপার অ্যাপে, যা লাখো মানুষকে কানেক্ট করেছে, হাজারো মানুষকে স্বাবলম্বী করেছে এবং আমাদের যাতায়াত, খাওয়া, ডেলিভারি ও পেমেন্টের অভিজ্ঞতাকে বদলে দিয়েছে। আজ ১০ বছর পর, পাঠাও আর শুধু আপনার জীবনের অংশ নয়, এটা আপনার প্রতিদিনের লাইফস্টাইল।
এক দশকের অর্জন ও সাফল্য
স্বপ্ন থেকে শুরু করে আজ বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, পাঠাও-এর পথচলা এক দৃঢ়তা, অগ্রযাত্রা, এবং কৃতজ্ঞতার গল্প। গত দশকে পাঠাও ৩ লক্ষাধিক পাঠাও রাইডারস, ক্যাপ্টেনস, ফুডম্যান ও ডেলিভারি এজেন্টসকে ক্ষমতায়ন করেছে, ২ লক্ষ ব্যবসায়ীর সাথে পার্টনারশিপ গড়ে তুলেছে এবং ১ কোটি ইউজারকে আরও সহজ, দ্রুত ও স্মার্ট জীবনের সাথে কানেক্ট করেছে।
৫ লক্ষেরও বেশি উপার্জনের সুযোগ সৃষ্টি তৈরি করে, পাঠাও বাংলাদেশের ডিজিটাল উন্নয়নের মূল কেন্দ্র হিসেবে কাজ করছে, মানুষকে এগিয়ে যেতে, উপার্জন করতে এবং একসাথে গ্রো করতে সহায়তা করছে।। এই অর্জন দেশ পেরিয়ে পেয়েছে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিও, ২০২৫ সালে পাঠাও “সুপারব্রান্ড” উপাধি পেয়েছে ‘সুপার অ্যাপ’ বিভাগে।
এই সম্মান অর্জিত হয়েছে প্রত্যেক রাইডার, ড্রাইভার ও ব্যবহারকারীর আস্তার জন্য, যারা এই যাত্রাকে সম্ভব করেছেন। এছাড়াও, পাঠাও স্থান পেয়েছে ফোর্বস-এর “টপ হান্ডেড টু ওয়াচ ইন এশিয়া” তালিকায়, যা বাংলাদেশের ডিজিটাল অগ্রযাত্রাকে তুলে ধরেছে বিশ্বমঞ্চে।
পুরো মাস জুড়ে অফার, গেম ও গিভঅ্যাওয়ে!
অপেক্ষার দিন শেষ, সব অ্যানিভার্সারি অফার এখন লাইভ! ৯ অক্টোবর থেকে ৯ নভেম্বর পর্যন্ত পাঠাও-এর “টেন ইয়ারস অফ গ্রোয়িং উইথ ইউ” সেলিব্রেশনে থাকছে দারুণ সব ডিসকাউন্ট, গেম এবং বিশাল গিভঅ্যাওয়ে। পাঠাও বাইক, কার, ফুড ও ইন্টারসিটি-তে আছে মোট ১ হাজার ৬০০ টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট, আর পাঠাও পে-তে এক্সট্রা ৩০০ টাকা ক্যাশব্যাক! পাঠাও-এর সাথে আপনার প্রতিটি অর্ডার, রাইড ও মুহূর্তের জন্য এটি ধন্যবাদ জানানোর একটি উপলক্ষ্য।
ট্রেজার হান্ট: অ্যাপে আর শহরজুড়ে জমজমাট খেলা!
ট্রেজার হান্ট এখন পাঠাও অ্যাপে লাইভ! টানা ২৮ দিনে প্রতিদিন থাকছে নতুন হিন্ট, লুকানো ট্রেজার আর ফোন দুইবার শেক করে ২০০ পাঠাও পয়েন্টস জেতার সুযোগ! প্রতি সপ্তাহে ১০ জন বিজয়ী পাবেন ওরাইমো বাংলাদেশ-এর সৌজন্যে মোট ৫ লক্ষ টাকার পুরস্কার! সাপ্তাহিক পুরস্কার, গ্র্যান্ড সারপ্রাইজ আর চূড়ান্ত ট্রেজার হান্ট চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ অপেক্ষা করছে আপনার জন্য! যত বেশি খেলবেন, তত বেশি থাকবে জেতার সুযোগ।
দশে ১০ কুইজ: জানুন, খেলুন, জিতুন!
পাঠাও আর বাংলাদেশ সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকলে এখনই আপনার সুযোগ ১ লক্ষ টাকার রিওয়ার্ড জেতার! পার্টিসিপেট করুন দশে ১০ কুইজে, যা পেয়ে যাবেন সোশ্যাল মিডিয়া, ইন-অ্যাপ কার্ড এবং অন-গ্রাউন্ড জোনে। কিইআর কোড স্ক্যান করুন, প্রতিদিনের প্রশ্নের উত্তর দিন, আর লিডারবোর্ডে টপ করে পেয়ে যান এক্সাইটিং রিওয়ার্ড!
উইস পাঠাও: স্বপ্ন হবে সত্যি!
সবার প্রিয় মেইক আ উইস এবার ফিরে এসেছে উইস পাঠাও হিসেবে! এইবার পাঠাও পূরণ করবে ১০ জন ইউজার এবং ১০ জন পাঠাও হিরোর স্বপ্ন! সোশ্যাল মিডিয়া, কুরিয়ার হাব বা ইন-অ্যাপ কার্ডের মাধ্যমে শেয়ার করুন আপনার উইশ, আর নির্বাচিত হলে সেটা পূরণ হবে বিশেষ উইস ফুলফিলমেন্ট অনুষ্ঠানে। কারণ পাঠাও-এ, স্বপ্ন শুধু স্বপ্ন থাকে না, রূপ নেয় বাস্তবেও।
উদযাপনে সবার অংশগ্রহণ!
এই সেলিব্রেশন পুরো পাঠাও পরিবারের জন্য! পাঠাও ফুড-এর প্রিয় রেস্টুরেন্ট থেকে শুরু করে পার্টনার ব্র্যান্ড, সবাই জয়েন করছে এই উৎসবে। থাকছে, বিশেষ গিভঅ্যাওয়ে আর শহরজুড়ে এক্সাইটিং অ্যাক্টিভেশন! আর হ্যাঁ, এই মাসে প্রতিটি রাইড বা অর্ডারেই আছে আইফোন সেভেনটিন প্রো ম্যাক্স জেতার সুযোগ!
আগামীর পথে
এই অর্জন নিয়ে পাঠাও-এর সিইও ফাহিম আহমেদ বলেন, “গত ১০ বছর ধরে পাঠাও বাংলাদেশের মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে, যাত্রায়, উপার্জনে এবং গ্রো করতে সাহায্য করছে। এই সাফল্য পাঠাও-এর প্রতিটি ইউজার, রাইডার, মার্চেন্ট ও পার্টনারের। সুপারব্র্যান্ড এবং ফোর্বস-এর টপ হান্ডেড টু ওয়াচ ইন এশিয়া-তে স্থান পাওয়া আমাদের সবার জন্য গর্বের একটি মুহূর্ত। আমরা যেমন গত ১০ বছর একসাথে গ্রো করেছি, তেমনি আগামী বছরগুলোতেও বাংলাদেশকে সাথে নিয়ে আরও এগিয়ে যেতে চাই।”
এক্সাইটিং প্রমোশনস থেকে শুরু করে স্বপ্নপূরণের মুহূর্ত, পাঠাও-এর “টেন ইয়ারস অফ গ্রোয়িং উইথ ইউ” সেলিব্রেশনের পাশাপাশি এক দশকের কৃতজ্ঞতা, উদ্ভাবন ও একসাথে গ্রো করার গল্পও। এক দশকের এই যৌথ যাত্রা, আরও অনেক পথচলার শুরু মাত্র।
পাঠাও সম্পর্কে
২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত পাঠাও, এমন একটি ডিজিটাল প্লাটফর্ম তৈরি করছে যা অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে দেওয়ার পাশাপাশি সবার দৈনন্দিন জীবনের একটি অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাইড শেয়ারিং, ফুড ডেলিভারি এবং ই-কমার্স লজিস্টিকসে পাঠাও শীর্ষস্থানে রয়েছে। ১০ মিলিয়নেরও বেশি ব্যবহারকারী, ৩ লাখ পাঠাও হিরো ও ডেলিভারি এজেন্ট, ২ লাখ মার্চেন্ট এবং ১০ হাজার রেস্টুরেন্ট নিয়ে পরিচালনা করছে পাঠাও। প্ল্যাটফর্মটি বাংলাদেশে ৫ লাখেরও বেশি কাজের সুযোগ তৈরি করেছে, যা দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে।