আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ঢাকা: প্রকাশ্যে যুদ্ধের বিরোধিতা করলেও গোপনে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ইরানে হামলা চালাতে উস্কানি দিয়েছেন সৌদি আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান। মার্কিন প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম এক্সিওস-এর বরাতে জানা যায়, শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) ওয়াশিংটনে এক বৈঠকে তিনি মন্তব্য করেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে হামলার যে হুমকি দিয়েছেন, এখন যদি তিনি পিছু হটান বা হামলা না করেন, তবে ইরানের সরকার আগের চেয়ে আরও বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠবে।
কৌতুহলদ্দীপক বিষয় হলো, সৌদি আরব এতদিন প্রকাশ্যে ইরানে হামলার বিরোধিতা করে আসছিল। মাত্র তিন সপ্তাহ আগেও সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান (এমবিএস) প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ইরানে হামলা না করার অনুরোধ জানিয়েছিলেন এবং তার অনুরোধেই ট্রাম্প পরিকল্পনা স্থগিত করেছিলেন বলে খবর বেরিয়েছিল। কিন্তু এখন এমবিএসের ছোট ভাই ও অত্যন্ত আস্থাভাজন প্রিন্স খালিদ বিন সালমান ওয়াশিংটনে গিয়ে উল্টো সুরে কথা বলছেন।
এক্সিওস জানায়, গত বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউজে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পেটে হেগসেথ, ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং সেনাপ্রধান জেনারেল ড্যান কেইনের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন প্রিন্স খালিদ। এরপর শুক্রবার তিনি মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষজ্ঞ ও পাঁচটি ইহুদি সংস্থার সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানেই তিনি বলেন, ‘এ মুহূর্তে যদি ইরানে হামলা না হয়, তাহলে বিষয়টি ইরানের সরকারকে আরও শক্তিশালী করবে।’ বিশ্লেষকদের ধারণা, ট্রাম্প যেহেতু ইরানে হামলার সিদ্ধান্ত প্রায় নিয়েই ফেলেছেন, তাই সৌদি আরব এখন আর যুক্তরাষ্ট্রের বিরাগভাজন হতে বা ট্রাম্পের বিরোধী হিসেবে নিজেদের জাহির করতে চাইছে না।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






