বাংলাফ্লো প্রতিবেদক
ঢাকা: সড়কে চাঁদাবাজি নিয়ে আগের বক্তব্যের রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও একই দাবির পুনরাবৃত্তি করলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তাঁর মতে, মালিক বা শ্রমিকদের কল্যাণে রেজিস্ট্রেশন করা কোনো সমিতি যদি নির্ধারিত হারে বা সর্বসম্মতিক্রমে টাকা গ্রহণ করে, তবে সেটিকে কোনোভাবেই ‘চাঁদাবাজি’ বলা যায় না। একই সঙ্গে আসন্ন ঈদযাত্রায় সড়কে যেকোনো ধরনের অবৈধ চাঁদাবাজি রোধে সরকারের কঠোর অবস্থানের কথাও স্পষ্ট করেছেন তিনি।
মন্ত্রীর মতে, বৈধ রেজিস্ট্রেশন থাকা কোনো সমিতি যদি নিজেদের সদস্যদের কল্যাণে একটি নির্দিষ্ট অর্থ সংগ্রহ করে, তবে তার আইনি বৈধতা রয়েছে। মালিক ও শ্রমিকদের কল্যাণের জন্যই এই টাকা নেওয়া হয়, তাই এটি চাঁদাবাজির সংজ্ঞায় পড়ে না।
যে সংগঠনের কোনো বৈধতা বা রেজিস্ট্রেশন নেই, তারা যদি জোরপূর্বক বা স্বেচ্ছাচারীভাবে পরিবহন সেক্টর থেকে চাঁদা আদায় করে, তবে এমন অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়ে তাদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে বলে সতর্ক করেছেন মন্ত্রী।
আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে সড়কে অনৈতিক সুবিধা আদায়ের কোনো সুযোগ নেই। মন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন যে, হাইওয়ে পুলিশ, মোবাইল কোর্ট, স্থানীয় প্রশাসন এবং পরিবহন নেতারা এ বিষয়ে পুরোপুরি তৎপর রয়েছেন। পাশাপাশি মন্ত্রণালয় থেকেও বিষয়টি সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হবে।
এর আগে, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের পর এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী বলেছিলেন, “সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা নেওয়া হলে তা চাঁদা নয়; বরং বাধ্য করা হলে সেটি চাঁদা।” তাঁর এই মন্তব্যের পর দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) এই বক্তব্যকে ‘ঘোরতর অপরাধকে বৈধতা দেওয়ার অজুহাত’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছিল।
বাংলাফ্লো/এফআইআর





