আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ঢাকা: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত জানুয়ারিতে কিউবার ওপর যে অঘোষিত জ্বালানি নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন, তা সম্পূর্ণ উপেক্ষা করার ঘোষণা দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। কিউবার ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে রাশিয়ার কঠোর অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি বলেন, ‘‘আমরা এ ধরনের কোনো কিছুকে আমল দিই না, দেবও না।’’
গত মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মস্কো সফরে যান কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগেজ। পরের দিন (১৮ ফেব্রুয়ারি) ক্রেমলিনে প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে তার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকেই মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে রাশিয়ার এই দ্ব্যর্থহীন অবস্থানের কথা জানান পুতিন।
প্রেক্ষাপট ও পুতিনের বক্তব্য:
ভেনেজুয়েলা থেকে তেল বন্ধ: ২০২৬ সালের ৪ জানুয়ারি ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সেনা অভিযানের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটকের পর থেকে কিউবায় হ্রাসকৃত মূল্যের তেল সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়, যা কিউবার জন্য এক বড় সংকট তৈরি করেছে।
ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা: এর পরপর জানুয়ারির মাঝামাঝি ট্রাম্প ঘোষণা দেন, কোনো দেশ কিউবায় তেল রপ্তানি করলে সেই দেশের ওপর অতিরিক্ত রপ্তানি শুল্ক আরোপ করবে যুক্তরাষ্ট্র।
কিউবার পাশে রাশিয়া: কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে পুতিন বলেন, ‘‘এখন নিষেধাজ্ঞার বিশেষ মৌসুম শুরু হয়েছে। ১৯৫৯ সালে স্বাধীনতার পর থেকে শুধুমাত্র নিজেদের ন্যায্য অধিকার ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষার জন্য কিউবার জনগণকে যে কঠিন পরিস্থিতি পার করতে হচ্ছে, তা আমরা জানি। এ ব্যাপারে আমাদের অবস্থান প্রকাশ্য, স্পষ্ট এবং দ্ব্যর্থহীন।’’
এদিকে, গতকাল হাভানার রুশ দূতাবাস থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে—মার্কিন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই কিউবার চলমান জ্বালানি সংকট কাটাতে দেশটিতে তেল সরবরাহ করবে রাশিয়া। খুব শিগগিরই হাভানায় পৌঁছাবে রুশ তেলের প্রথম চালান।
বাংলাফ্লো/এফআইআর





