আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ঢাকা: আগামী বুধবার হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, এই বৈঠকের মূল এজেন্ডা ইরান। ওমানের মাস্কাটে গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে অনুষ্ঠিত পরোক্ষ আলোচনার পরপরই এই বৈঠকের খবর এল।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘মারিভ’ জানিয়েছে, মাস্কাটের আলোচনায় ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের সামনে পাঁচটি অত্যন্ত কঠোর শর্ত জুড়ে দিয়েছে। শর্তগুলো হলো— ১. সমৃদ্ধকৃত ৪০০ কেজি ইউরেনিয়াম অবিলম্বে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া। ২. ইরানের সমস্ত পারমাণবিক অবকাঠামো ধ্বংস করা। ৩. ব্যালিস্টিক মিসাইল সক্ষমতা সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়া। ৪. মিসাইল উৎপাদন বা প্রোগ্রাম বন্ধ করা। ৫. সিরিয়া, ইয়েমেন, ইরাক ও লেবাননে অবস্থানরত সশস্ত্র মিত্র বাহিনীগুলোকে সহায়তা প্রদান বন্ধ করা।
চ্যাথাম হাউজের পরিচালক ব্রোনওয়েন ম্যাডক্স এই শর্তগুলোকে ‘অবাস্তব’ ও ‘প্রত্যাখ্যানযোগ্য’ বলে অভিহিত করেছেন। তার মতে, ব্যালিস্টিক মিসাইল ধ্বংস করার শর্তটি ইরানের জন্য আত্মহত্যার শামিল, কারণ এটিই তাদের একমাত্র রক্ষাকবচ যা ইসরায়েলি বিমান ও মার্কিন স্টিলথ বোম্বার থেকে তাদের রক্ষা করে। বিশ্লেষকদের ধারণা, এই শর্তগুলো এমনভাবে সাজানো হয়েছে যা ইরান মানতে বাধ্য হবে না, আর এই প্রত্যাখ্যানকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে দ্বিতীয় দফার হামলা চালাতে পারে।
বাংলাফ্লো/এফআইআর



