আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ঢাকা: ইরানে চলমান সংঘাতের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথগুলো প্রায় অচল হয়ে পড়ায় বিশ্বজুড়ে পণ্য পরিবহন খরচ আকাশচুম্বী হয়ে উঠছে। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম শিপিং কোম্পানি ‘মার্স্ক’-এর (Maersk) প্রধান নির্বাহী ভিনসেন্ট ক্লার্ক সতর্ক করে জানিয়েছেন, এই বাড়তি খরচের চূড়ান্ত প্রভাব পড়বে সাধারণ ভোক্তাদের ওপর। অন্যদিকে, এই উত্তেজনার মাঝেই হরমুজ প্রণালির কাছে ইরানের ১৬টি মাইন স্থাপনকারী জাহাজ ধ্বংস করার দাবি করেছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।
ডেনমার্কভিত্তিক শিপিং জায়ান্ট মার্স্কের প্রধান বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানান, জ্বালানি তেলের দাম ও পরিবহন খরচ বৃদ্ধির যে চাপ তৈরি হয়েছে, তা চুক্তির শর্ত অনুযায়ী সরাসরি গ্রাহক এবং শেষ পর্যন্ত সাধারণ ভোক্তাদেরই বহন করতে হবে।
যুদ্ধের কারণে বর্তমানে দুটি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ কার্যত বন্ধ। বিশেষ করে বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ জ্বালানি তেল পরিবহনের রুট ‘হরমুজ প্রণালি’ ইরানের হামলার হুমকির মুখে স্থবির হয়ে আছে। বিশ্ববাণিজ্য সচল করতে তিনি যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানকে দ্রুত একটি সমঝোতায় আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্স নৌবাহিনীর পাহারায় জাহাজ চলাচলের প্রস্তাব দিলেও ভিনসেন্ট ক্লার্ক তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, ড্রোন হামলার চরম ঝুঁকি ও যুদ্ধবিরতির নিশ্চয়তা না পাওয়া পর্যন্ত কর্মীদের জীবন এবং জাহাজগুলোকে তিনি বিপদের মুখে ঠেলে দেবেন না।
সামরিক উত্তেজনার ধারাবাহিকতায় মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) হরমুজ প্রণালির কাছে ইরানের ১৬টি মাইন স্থাপনকারী জাহাজ ধ্বংসের দাবি করে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘দ্রুত ও কঠোর’ ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এই বড় সামরিক অভিযানের খবর সামনে এল।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






