জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা জোবায়েদ হোসেন হত্যার মূল পরিকল্পনাকারীসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, হত্যার মূল হোতা ছিলেন জোবায়েদের ছাত্রী বর্ষা। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার বংশাল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে।
মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) এস. এন. মো. নজরুল ইসলাম জানান, কলেজছাত্রী বর্ষা ৯ বছর ধরে প্রতিবেশী কলেজছাত্র মাহিরের সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন। এক বছর আগে থেকে তার গৃহশিক্ষক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জোবায়েদ হোসেনের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় তার। এই দুই সম্পর্কের জটিলতা থেকেই সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে জোবায়েদকে হত্যার পরিকল্পনা করেন বর্ষা।
লালবাগ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মল্লিক আহসান উদ্দিন সামী জানান, গত রোববার বিকালে পুরান ঢাকার আরমানিটোলার বাসায় পড়াতে গেলে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে সিঁড়িতে মাহির ছুরিকাঘাতে জোবায়েদ নিহত হন।
পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঘটনাটি বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডে মিন্নির ভূমিকার সঙ্গে কিছুটা সাদৃশ্যপূর্ণ।
জোবায়েদ হত্যার ঘটনায় দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার দাবিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং ছাত্রদল নেতাকর্মীরা ইতোমধ্যে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন।


