আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ঢাকা: পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে ফিলিস্তিনিদের পবিত্র আল-আকসা মসজিদে প্রবেশে বাধা দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। টানা ২১ দিন ধরে মসজিদটি বন্ধ রাখায় শত শত ফিলিস্তিনি বাধ্য হয়ে এর প্রবেশদ্বার ও আশপাশের রাস্তায় ঈদের নামাজ আদায় করেছেন। আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
দখলকৃত পূর্ব জেরুজালেমের দামাস্কাস গেটসহ মসজিদের আঙিনার কাছাকাছি সম্ভাব্য সব পয়েন্টে ফিলিস্তিনি মুসল্লিরা জড়ো হয়েছিলেন। কিন্তু ইসরায়েলি সৈন্যরা মসজিদের ভেতরে প্রবেশের সব পথ বন্ধ করে দেওয়ায় তাঁরা বাইরেই ঈদের জামাত সম্পন্ন করেন।
জেরুজালেম গভর্নরেট ইসরায়েলের এই পদক্ষেপকে ‘বিপজ্জনক উসকানি’ এবং ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে উল্লেখ করে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফার মতে, এই ধরনের পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হলো নতুন করে ইহুদিকরণ চাপিয়ে দেওয়া এবং আল-আকসা মসজিদকে ফিলিস্তিনি ও ইসলামি পরিবেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করা।
অন্যদিকে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ধ্বংসস্তূপের মাঝেই ঈদ পালন করছেন ফিলিস্তিনিরা। চলমান গণহত্যা ও বাস্তুচ্যুতির মধ্যেও তাঁরা উপত্যকাজুড়ে খোলা জায়গায় এবং ক্ষতিগ্রস্ত মসজিদগুলোর সামনে জড়ো হয়ে পরিবারসহ ঈদের নামাজ আদায় করে নিজেদের ঐতিহ্য বজায় রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করছেন।
উল্লেখ্য, গাজা উপত্যকায় প্রায় ১ হাজার ২৪০টি মসজিদ ছিল। তবে ২০২৩ সালের অক্টোবরে শুরু হওয়া ইসরায়েলি আগ্রাসনে সেখানকার ১ হাজার ১০০টিরও বেশি মসজিদ সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে।
বাংলাফ্লো/এফআইআর




