আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ঢাকা: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে সংঘাত অবসানে যে শান্তি প্রস্তাব দিয়েছেন, তা নিয়ে ইসরায়েলে গভীর উদ্বেগ ও শঙ্কার সৃষ্টি হয়েছে। ট্রাম্প যেকোনো চুক্তিতে ইসরায়েলের স্বার্থকে গুরুত্ব দেবেন বলে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু জানলেও, চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছাতে যুক্তরাষ্ট্র ঠিক কতটা আপস করবে, তা নিয়ে তেল আবিবের নীতিনির্ধারকদের মাঝে দুশ্চিন্তা বাড়ছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, রুদ্ধদ্বার বৈঠকে ইসরায়েল আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যে ট্রাম্প একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে অত্যন্ত আগ্রহী। তবে এই লক্ষ্যে পৌঁছাতে তিনি ইরানের সঙ্গে কতটা আপস করবেন, সেটি নিয়েই মূলত তেল আবিব চিন্তিত।
ইসরায়েলের আশঙ্কা, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত ১৫ দফার পরিকল্পনাটি সম্ভাব্য সমঝোতা চুক্তির মূল রূপরেখা হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। আর এই চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার আগে মাসব্যাপী একটি যুদ্ধবিরতিও কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ইসরায়েলের অন্যতম প্রধান উদ্বেগের বিষয় হলো ইরানের হাতে থাকা ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ৪৫০ কেজি ইউরেনিয়ামের ভবিষ্যৎ। এই বিপুল পরিমাণ ইউরেনিয়াম তৃতীয় কোনো দেশের হাতে তুলে দেওয়া হবে, নাকি আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার (IAEA) কাছে হস্তান্তর করা হবে, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে।
ইরান ভবিষ্যতে নতুন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করে ইসরায়েলকে হুমকি দেবে না বা পুনরায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ শুরু করবে না—এমন নিশ্চয়তা নিয়েও চিন্তিত তেল আবিব। এসব বিষয় খতিয়ে দেখার পাশাপাশি ইসরায়েল আশা করছে, কোনো চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর আগেই ইরানে আরও কিছু লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার জন্য তারা পর্যাপ্ত সময় পাবে।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






