একসময় বলিউডের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিলো হেমা মালিনি ও ধর্মেন্দ্রের প্রেমকাহিনি। ১৯৮০ সালে তারা বিয়ে করেন, যদিও তখন ধর্মেন্দ্র ইতিমধ্যেই বিবাহিত ছিলেন এবং তার প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌরের সঙ্গে চার সন্তান— সানি দেওল, ববি দেওল, অজিতা দেওল ও বিজেতা দেওল ছিলেন।
ধর্মেন্দ্র নিজের প্রথম পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখলেও, হেমা মালিনির সেই পরিবারের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি মেলেনি।
নিজের আত্মজীবনী ‘হেমা মালিনি: বিয়ন্ড দ্য ড্রিম গার্ল’-এ এই অভিনেত্রী জানিয়েছেন, বিয়ের প্রায় ১০ বছর পর তিনি প্রথমবার সৎপুত্র সানি দেওলের সঙ্গে ঠিকভাবে কথা বলেন— আর সেই কথোপকথনের বিষয় ছিল তার পরিচালনায় তৈরি প্রথম চলচ্চিত্র দিল আশনা হ্যায়(১৯৯২)!
হেমা জানান, তিনি এই সিনেমায় একটি প্যারাগ্লাইডিং দৃশ্য ধারণ করতে চেয়েছিলেন, যেখানে অভিনয় করছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী ও ডিম্পল কাপাডিয়া। শুটিংয়ের আগে যে বিমানচালক ছিলেন, তিনি দুর্ঘটনার শিকার হন, ফলে ডিম্পল ভয় পেয়ে যান। সেই সময় ডিম্পল তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু সানি দেওলকে ফোন করেন। সানির উদ্বেগ ছিল ডিম্পলের নিরাপত্তা নিয়ে, তাই তিনি সেটে এসে সরাসরি হেমা মালিনির সঙ্গে কথা বলেন। হেমা তাকে আশ্বস্ত করেন যে ডিম্পল নিরাপদেই দৃশ্যটি করবেন। সেই মুহূর্তেই, বহু বছর পর প্রথমবার সানির সঙ্গে হেমার কথা হয়।
হেমা মালিনি বইটিতে লিখেছেন,“আমি মিঠুন ও ডিম্পলের সঙ্গে ‘দিল আশনা হ্যায়’ সিনেমার একটি প্যারাগ্লাইডিং দৃশ্য শুট করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু কিছুদিন আগে যে পাইলট ছিলেন, তিনি দুর্ঘটনায় পড়েন। এতে ডিম্পল ভয় পেয়ে যায় এবং সানিকে জানায়। উদ্বেগে সানি সেটে আসে এবং আমার সঙ্গে দেখা করে। আমি ওকে আশ্বস্ত করি যে সব নিরাপদ। তখনই আমাদের প্রথম ঠিকভাবে কথা হয়।”
তবে দেওল পরিবারের মধ্যে দূরত্ব এখনো রয়ে গেছে। ২০২৩ সালে সানি দেওলের ছেলে করণ দেওলের বিয়েতে হেমা মালিনি ও তার দুই মেয়ে ঈশা দেওল ও আহানা দেওল উপস্থিত ছিলেন না।
সম্প্রতি এবিপি লাইভকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ববি দেওল জানান, ধর্মেন্দ্র বর্তমানে তার প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌরের সঙ্গে খান্ডালার ফার্মহাউসে থাকেন, আর হেমা মালিনি থাকেন মুম্বাইয়ে নিজের বাড়িতে। ডিএন ইন্ডিয়া


