লাইফ স্টাইল ডেস্ক
ঢাকা: বর্তমানের এই দ্রুতগতির ও যান্ত্রিক পৃথিবীতে মানসিক চাপ কমানো এবং নিজেকে শান্ত রাখার অন্যতম সহজ ও কার্যকর উপায় হয়ে উঠেছে বাগান করা। এটি শুধু অবসর কাটানোর একটি শখ নয়, বরং গাছপালার পরিচর্যা মানসিক প্রশান্তি ও সুস্থতার জন্য দারুণ থেরাপি হিসেবে কাজ করে। গবেষকদের মতে, বাগান করার অভ্যাস মানুষকে প্রকৃতির সঙ্গে যুক্ত করে, চিন্তাভাবনা ধীর করে এবং বর্তমান মুহূর্তে মনোনিবেশ করতে সাহায্য করে।
বাগান করার সময় মাটি খোঁড়া, বীজ বপন বা গাছে পানি দেওয়ার মতো পুনরাবৃত্তিমূলক কাজগুলো স্নায়ুতন্ত্রকে শিথিল করে। এটি স্ট্রেস বা চাপের হরমোনের মাত্রা কমিয়ে মানসিক উদ্বেগ থেকে মনোযোগ সরিয়ে নিতে সাহায্য করে।
বাইরের বাগানে কাজ করার সময় শরীরে রোদ লাগে, যা ভিটামিন ডি তৈরি করে মেজাজ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। নিজের হাতে লাগানো একটি ছোট চারাগাছকে বেড়ে উঠতে দেখা এবং তার যত্ন নেওয়া মনে এক অনাবিল আনন্দ ও প্রশান্তির সৃষ্টি করে।
রোপণ, আগাছা পরিষ্কার বা ডালপালা ছাঁটাইয়ের কাজে গভীর মনোযোগ ও ধৈর্যের প্রয়োজন হয়। মাটির স্পর্শ, ফুলের সুগন্ধ এবং প্রকৃতির নৈকট্য মনকে শান্ত করে এবং চারপাশের পরিবেশের সঙ্গে মননশীলতা বৃদ্ধি করে।
মাটি খোঁড়া বা পানির পাত্র বহনের মতো হালকা শারীরিক পরিশ্রমের ফলে শরীরে এন্ডোরফিন (Endorphin) নামক হরমোন নিঃসৃত হয়। এই প্রাকৃতিক মেজাজ বর্ধক হরমোনটি শক্তির স্তর বাড়াতে এবং খিটখিটে মেজাজ দূর করতে জাদুর মতো কাজ করে।
বাংলাফ্লো/এফআইআর





