আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ঢাকা: সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিজেদের একমাত্র সামরিক ঘাঁটির নিরাপত্তা জোরদার করতে সেখানে বেশ কয়েকটি শক্তিশালী রাফাল যুদ্ধবিমান পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফ্রান্স। গত ১ মার্চ আবুধাবির ঘাঁটিতে ড্রোন হামলার পর ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর নির্দেশে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ-নোয়েল ব্যারট। মধ্যপ্রাচ্যে ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চলমান তীব্র সামরিক উত্তেজনার মাঝেই এই কৌশলগত প্রস্তুতি নিচ্ছে প্যারিস।
আবুধাবির আল-ধাফরা এলাকায় অবস্থিত ফ্রান্সের ‘ক্যাম্প দে লা পাইক্স’ নৌ ও বিমান ঘাঁটিতে গত রোববার (১ মার্চ) ড্রোন হামলা চালানো হয়। এতে ঘাঁটির একটি হ্যাঙ্গার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ২০০৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই ঘাঁটিতে সার্বক্ষণিকভাবে ফ্রান্সের সশস্ত্র বাহিনীর কয়েক শ কর্মকর্তা ও সদস্য অবস্থান করেন।
ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ-নোয়েল ব্যারট জানিয়েছেন, ড্রোন হামলার পরপরই প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ সেখানে রাফাল যুদ্ধবিমান পাঠানোর নির্দেশ দেন। এই অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানগুলোর মূল কাজ হবে ঘাঁটির ওপরের আকাশসীমাকে সম্পূর্ণ নিরাপদ রাখা।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ এবং ইসরায়েলের ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু হয়। এর জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্র দেশগুলোর সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ক্রমাগত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনী।
গত ২ মার্চ সাইপ্রাসে অবস্থিত যুক্তরাজ্যের একটি নৌঘাঁটিতেও ইরানি হামলার ঘটনা ঘটে। মিত্রদের ওপর এমন হামলার জেরে ভূমধ্যসাগরে নিজেদের পরমাণু শক্তিচালিত বিশাল বিমানবাহী রণতরী ‘চার্লস দ্য গল’ মোতায়েন করেছে ফ্রান্স।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






