লক্ষ্মীপুরের নিখোঁজের একদিন পর হাত পা বাঁধা অবস্থায় খাল থেকে ইউছুফ হোসেন (৪৫) নামের এক রাজমিস্ত্রির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন।
শুক্রবার (৩ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০ টার দিকে সদর উপজেলার দালাল বাজার পালেরহাট সড়কের কোরালিয়া খাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। এর আগে রাত সাড়ে ৯ টার দিকে স্থানীয় এক যুবক খালে টেটা দিয়ে মাছ শিকার করতে গিয়ে বাঁশ গাছের নিচে খালে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে।
নিহত ইউছুফ সদর উপজেলার দক্ষিণ হামছাদী ইউনিয়নের পশ্চিম গৌপীনাথপুর গ্রামের হাবিব উল্যাহ হাজী বাড়ির আবুল কাশেমের ছেলে।
নিহত ইউছুফের ছেলে মো. শাকিল ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বাবার সঙ্গে বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে বাড়ির সামনে তাঁর শেষ কথা হয়। এরপর থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। খবর পেয়ে এসে দেখি খালে তার মরদেহ পড়ে আছে। পা গামছা দিয়ে বাঁধা ছিল। এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। আমাদের পারিবারিক জমি বণ্টন নিয়ে চাচাদের (নিহতের ভাই) সঙ্গে বিরোধ রয়েছে। এ ছাড়া আর কারো সঙ্গে বাবার কোন বিরোধ নেই। তার ভাইদের সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। ধারণা করা হচ্ছে, ওই বিরোধকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড ঘটনানো হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা কাইয়ুম হোসেন বলেন, আমি টেটা দিয়ে খালে মাছ শিকার করতে যাই। তখন ইউছুফ চাচার মরদেহ বাঁশ গাছের নিচে খালে পড়ে থাকতে দেখে সবাইকে খবর দিই।
নিহতের স্বজন সদর উপজেলা জামায়াতের আমীর হুমায়ুন কবীর বলেন, তার ভাইদের সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। ধারণা করা হচ্ছে ওই বিরোধকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ রেজাউল হক বলেন, ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ রেজাউল হক বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে অপরাধীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


