শেরপুরে নিখোঁজের ৪০ ঘন্টা পর এক চা বিক্রেতার লাশ উদ্ধার হয়েছে। নিহত চা বিক্রেতা হরিজনপল্লী সংলগ্ন সজবরখিলা এলাকার আবেদ আলীর ছেলে আব্দুল মোতালেব ওরফে হাজী (৫২)।
শনিবার (৪ অক্টোবর) শহরের সজবরখিলা এলাকার হরিজনপল্লীর ডোবা থেকে বেলা আড়াইটার দিকে মরদেহটি পুলিশ উদ্ধার করেছে।
গত ২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকে আব্দুল মোতালেব নিখোঁজ ছিলেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মিজানুর রহমার ভুঁঞা ও সদর থানার ওসি মো. জুবাইদুল আলম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা যায়, শহরের হরিজনপল্লী সংলগ্ন সজবরখিলা এলাকার বাড়ির সামনে আব্দুল মোতালেব ওরফে হাজী একটি চা-পানের দোকান করতেন।
বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে দোকান বন্ধ করে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিলো না। গত দুইদিন ধরে তার পরিবারের লোকজন তাঁকে অনেক খোঁজাখুজি করেও সন্ধান পাচ্ছিলেন না।
শনিবার বেলা আড়াইটার দিকে বৃষ্টি শেষ হওয়ার পর হরিজনপল্লীর ভেতরের একটি ডোবায় তাঁর লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পরিবারের লোকজন ও পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে ঘটনাস্থল থেকে নিহত মোতালেব ওরফে হাজীর লাশ উদ্ধার করে। লাশের শরীরে আঘাতের কোন চিহ্ন না থাকলেও মুখের দিকে কিছুটা ক্ষতের মতো রয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে।
নিহতের ছেলে সাজিদ মিয়া বলেন, নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে বাবাকে হন্যে হয়ে খোঁজাখুজি করলেও কোন সন্ধান পাইনি। আজ পাশের মেথর পট্টির (হরিজন পল্লী) ডোবা থেকে তার লাশ উদ্ধার হয়েছে। আমার বাবাকে হত্যার পর লাশ নিয়ে ডোবায় ফেলে রাখা হয়েছে। আমি এ ঘটনার তদন্ত করে হত্যাকান্ডের বিচার চাই। যারা খুনে সাথে জড়িত তাদের ফাঁসি চাই।
এ ব্যাপারে শেরপুর সদর থানার ওসি মো. জুবাইদুল আলম জানান, সংবাদ পেয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শেরপুর জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটির তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।


