বিনোদন ডেস্ক
ঢাকা: নব্বইয়ের দশকে দাউদ ইব্রাহিমের সেই ত্রাসের রাজত্ব যেন ফিরে এসেছে মায়ানগরীতে; তবে এবারের খলনায়ক লরেন্স বিষ্ণোই। তার গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্যে বলিউড পাড়ায় এখন শুধুই আতঙ্কের প্রহর। এই ভয়ের আবহে শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) মুম্বাই পুলিশ এক শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানের মাধ্যমে পরিচালক রোহিত শেঠির বাড়িতে হামলার ঘটনার দৃশ্য পুনর্নির্মাণ (রিকনস্ট্রাকশন) করেছে।
গ্রেপ্তারকৃত চার অভিযুক্ত—স্বপ্নিল সাকাত, আদিত্য গায়কি, সিদ্ধার্থ ইয়েপুর এবং সমর্থ পোমাজিকে সঙ্গে নিয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে হাজির হয়। তদন্তে উঠে এসেছে সিনেমার চিত্রনাট্যের মতোই এক রোমহর্ষক পরিকল্পনা; অভিযুক্তরা পুনে থেকে স্কুটার চালিয়ে মুম্বাই এসে ভিলে পার্লে স্টেশনের বাইরে গাড়ি পার্ক করে, এরপর সোজা হানা দেয় রোহিতের বাড়িতে। আদালতের জন্য এই পুরো প্রক্রিয়ার ভিডিও রেকর্ড করা হয়েছে।
তবে ঘটনার এখানেই শেষ নয়, ‘হ্যারি বক্সার’ (আসল নাম হরি চাঁদ) নামের এক ব্যক্তি বিদেশ থেকে ভিপিএন ব্যবহার করে হাড়হিম করা এক অডিও বার্তা পাঠিয়েছে। সেখানে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সোজা পথে না হাঁটলে এমন অবস্থা করা হবে যা ‘পরবর্তী সাত প্রজন্ম মনে রাখবে’। নতুন কৌশলে এবার তারকাদের বদলে তাদের ‘ডানহাত’ অর্থাৎ ম্যানেজার ও ঘনিষ্ঠ কর্মীদের টার্গেট করার হুমকি দেওয়া হয়েছে। এই সূত্র ধরেই শনিবার রোহিত শেঠি ও অভিনেতা রণবীর সিংয়ের ম্যানেজারদের জবানবন্দি রেকর্ড করেছে ক্রাইম ব্রাঞ্চ। রণবীরের কাছে ১০ কোটি রুপি চাঁদা দাবি এবং রোহিতের বারান্দায় গুলিবর্ষণের ঘটনায় পুরো টিনসেল টাউনের নিরাপত্তা এখন প্রশ্নের মুখে।
বাংলাফ্লো/এম এইচ এইচ






