মিরপুর শের-ই-বাংলায় অন্যরকম এক রেকর্ড গড়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। প্রথম দল হিসেবে ওয়ানডের ইতিহাসে পুরো ইনিংস স্পিনারদের দিয়ে বল করিয়েছে তারা। ক্যারিবীয়দের অল-স্পিন আক্রমণে চাপে পড়েছিল বাংলাদেশ। শেষদিকে রিশাদ হোসেনের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ২১৪ রানের লক্ষ্য দিতে পেরেছে মেহেদী হাসান মিরাজের দল।
একাদশে দুই পেসার শেরফান রাদারফোর্ড ও জাস্টিন গ্রিভসকে রেখেছিল তারা। কিন্তু ৫ স্পিনার দিয়ে পুরো ৫০ ওভার বল করিয়েছে সফরকারী দল। ৫০ ওভার শেষের আগেই ২৯ বছর আগের এক রেকর্ডও ভেঙে দেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ওয়ানডেতে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ স্পিন বোলিং করার রেকর্ডের মালিক হয় তারা। ১৯৯৬ সালে এক ইনিংসে শ্রীলঙ্কা স্পিনারদের দিয়ে করিয়েছিল ৪৪ ওভার।
শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে টসে জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। নির্ধারিত ওভার শেষে ৭ উইকেটে ২১৩ রানের সংগ্রহ জমিয়েছে টিম টাইগার্স।
মিরপুরের স্পিন উইকেটের সুবিধা নিতে স্পিনারদের দিয়েই ইনিংস শুরু করায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ২২ রানে প্রথম উইকেট তুলে নেয় তারা। সাইফ হাসান ফেরেন ১৬ বলে ৬ রান করে। এরপর ধীরগতিতে রান তুলতে থাকে বাংলাদেশ। ৪১ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায়। তাওহীদ হৃদয় আউট হন ১৯ বলে ১২ রান করে। ১৭.২ ওভারে ৬৮ রানের সময় শান্ত ফেরেন ২১ বলে ১৫ রান করে।
২৮তম ওভারের শেষ বলে ৯৬ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ফেরেন ৩৫ বলে ১৭ রান করে। ৩০.৩ ওভারে ১০৩ রানে সৌম্য সরকার ফিরে যান। টাইগার ওপেনার ৩ চার ও এক ছক্কায় ৮৯ বলে ৪৫ রান করেন। ১২৮ রানে ষষ্ঠ উইকেট পড়ে।
নাসুম আহমেদ ফেরেন ২৬ বলে ১৪ রানে। ৪৬তম ওভারের শেষ বলে নুরুল হাসান সোহান ফিরে যান। ২৪ বলে ২৩ রান করেন উইকেটরক্ষক-ব্যাটার।
১৬৩ রানে ৭ উইকেট হারানোর পর মেহেদী হাসান মিরাজকে নিয়ে ঝড় তোলেন রিশাদ হোসেন। তাদের ২৪ বলে ৫০ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ২১৩ রানের সংগ্রহ আনে বাংলাদেশ। ৩টি করে চার ও ছক্কায় ১৪ বলে ৩৯ রান করেন রিশাদ, ৫৮ বলে ৩২ রান করে অপরাজিত থাকেন মিরাজ।
ক্যারিবীয় বোলারদের মধ্যে গুডাকেশ মোতি ৩ উইকেট নেন। আলিক আথানজে ও আকিল হোসেইন নেন দুটি করে উইকেট।


