এএফসি এশিয়ান কাপের বাছাইয়ে হংকং, চায়নার বিপক্ষে প্রথমে গোল হজম করেছিল বাংলাদেশ। পরে ম্যাচে ফিরেছে লাল-সবুজের দল। ৮৪ মিনিটে ফরোয়ার্ড রাকিব হোসেনের গোলে ১-১এ ড্র করেছে। অ্যাওয়ে ম্যাচে এক পয়েন্ট তুলেও মূল আসরের জন্য টিকে থাকার পথ ক্ষীণই জামাল ভূঁইয়াদের।
হাভিয়ের ক্যাবরেরা এদিন শুরুর একাদশে নামান গত ম্যাচে অভিষেক হওয়া জায়ান আহমেদকে, ছিলেন মিডফিল্ডার সামিত সোমও। ১১ মিনিটে ভালো আক্রমণ করেছিল হংকং, তপু বর্মণের দৃঢ়তায় এ যাত্রায় বেঁচে যায় বাংলাদেশ। ১৪ মিনিটে হংকংয়ের ভালো একটি কাউন্টার অ্যাটাক অফসাইডে থেমে যায়।
২০ মিনিটে ডি বক্সের খানিকটা আগে ফ্রি কিক পায় হংকং। শটের পর লিওন জোনসের হেড ঠেকিয়ে দেন মিতুল মারমা। পরের মিনিটে ডি বক্সের ঠিক বাইরে ফ্রি কিক পায় বাংলাদেশ, হামজা চৌধুরীর বুলেটগতির শট কাজে লাগেনি।
সময় পেরোতে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে হংকং চায়না। ২৭ মিনিটে ফ্রি কিকের বিপদ কাটিয়ে দেন তপু, দুই মিনিট পর কর্নারের কাছে জায়ান আহমেদ ফাউল করলেও কোন বিপদ হয়নি বাংলাদেশের। ৩৪ মিনিটে বিপদ ডেকে আনেন তারিক কাজী।
ডি বক্সের মাঝে ফাউল করেন ফের্নান্দো পেডরেইরাকে, রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান। পেনাল্টি নেন স্বাগতিক অধিনায়ক ম্যাট ওর, ৩৬ মিনিটে গোল করে ১-০তে এগিয়ে যায় হংকং। গোল হজম করে বাংলাদেশ ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে, কাজ হয়নি। ১-০ গোলে পিছিয়ে বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।
৫১ মিনিটে ভালো সুযোগ আসে বাংলাদেশের। সাদ উদ্দিন গোলবারের মুখে বল পেলেও হংকং গোলকিপারকে ফাঁকি দিতে পারেননি। মিনিট দশেক পর কাউন্টার অ্যাটাকে প্রায় গোল হজম করতে বসেছিল বাংলাদেশ। ৬৮ মিনিটে ফাহমিদুলের গোলমুখের শট ঠেকিয়ে দেন স্বাগতিক গোলকিপার।
বিরতির পর পুরো ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ প্রায় বাংলাদেশের হাতে ছিল। ৭১ মিনিটে জামাল ভূঁইয়া প্রতিপক্ষ গোলমুখে একা থাকলেও তার শটে গোল আসেনি। ৭৩ মিনিটে সাদ উদ্দিনের ক্রসে পা লাগালেই গোল আসত, পা লাগাতে পারেননি ফাহমিদুল।
৭৪ মিনিটে হংকংয়ের অলিভার বেঞ্জামিন দ্বিতীয়বার হলুদ কার্ড দেখে লাল কার্ড হজম করলে ১০ জনের দলে পরিণত হয় স্বাগতিকরা। ৮৪ মিনিটে প্রতিপক্ষের ১০ জনের সুবিধা নিয়ে গোল করেন রাকিব হোসেন, ১-১ সমতায় ফেরে বাংলাদেশ। পরে বাংলাদেশ আরও কিছু সুযোগ পেয়েছিল, আর কোন সুযোগ কাজে লাগাতে না পারলে সমতায় শেষ করতে হয় বাংলাদেশকে।


