বাংলাফ্লো প্রতিবেদক
ঢাকা: দুর্নীতির অভিযোগের প্রতিবাদ জানিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার আলটিমেটাম দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন।
দুদকের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, “আমার যে মানহানি করা হয়েছে, এর জন্য আপনারা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অ্যাপোলজাইজ বা ক্ষমা প্রকাশ করবেন এবং আপনাদের বরাতে প্রকাশিত খবরগুলো প্রত্যাহার করবেন। অন্যথায় আমি মানহানির মামলাসহ কঠোর আইনি পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবো।”
সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, ৩৮ জন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিল এবং ১৮২ জন (অভিযোগে ১৫০ জন বলা হলেও) কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার এবং তৎকালীন সচিবদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তার সঙ্গে প্রকৃত ঘটনার কোনো সামঞ্জস্য নেই।
আসিফ মাহমুদ ব্যাখ্যা করে বলেন, ২০২১ সালে নিয়মবহির্ভূতভাবে ১১২ জন কর্মকর্তাকে পদোন্নতি ছাড়াই নবম গ্রেডে চলতি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে মামলা হলে আদালত সেই আদেশ বাতিল করেন। ওই রায়ের সময় ১১২ জনের মধ্যে মাত্র ৩৮ জন চলতি দায়িত্বে বহাল ছিলেন। আদালতের রায় বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই ওই ৩৮ জনকে চলতি দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে দশম গ্রেডের মূল পদে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এখানে দুর্নীতির কোনো সুযোগই ছিল না, বরং আদালতের নির্দেশ পালন করা হয়েছে।
অন্যদিকে, পদোন্নতির অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি জানান, যুব ও ক্রীড়া এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রস্তুত করা জ্যেষ্ঠতার তালিকা যাচাই-বাছাই ও সাক্ষাৎকার শেষে পিএসসি (PSC) পদোন্নতির সুপারিশ করে। প্রচলিত প্রশাসনিক নিয়মে উপজেলা বা জেলা পর্যায়ের যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার পদায়ন বা পদোন্নতির ক্ষেত্রে মন্ত্রীর অনুমোদনের কোনো প্রয়োজন হয় না, সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি সচিবের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। ফলে প্রশাসনিক এই প্রক্রিয়ার কোনোটিতেই ব্যক্তিগতভাবে সম্পৃক্ত থাকার সুযোগ তার ছিল না বলে দাবি করেন এনসিপির এই মুখপাত্র।
বাংলাফ্লো/এম এইচ এইচ










